একমাত্র ইসলামই স্বাস্থখাত থেকে দুর্নীতি দূর করবে এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা নিচ্চিত করবে
৩3 মিনিটে পড়ুনmin read২২ আগস্ট ২০২০22 August 2020

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে অন্তত ১ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে স্বাস্থ্য খাতের হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনায়। যার বেশিরভাগই নিম্নমানের এবং অব্যবহৃত। এমন তথ্য উঠে এসেছে দেশের অন্তত ২৭টি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটা সংক্রান্ত তথ্যে।
বেশিরভাগ যন্ত্রপাতিই কেনা হয়েছে চাহিদাপত্র ছাড়াই। ‘এ’ ক্যাটাগরির যন্ত্রপাতির মূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে ‘সি’ ক্যাটাগরির যন্ত্রপাতি। কখনো কখনো দেশে থেকেই যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে ট্যাগ লাগিয়ে দেয়া হয়েছে কোনো নামকরা বিদেশি কোম্পানির।
ফরিদপুর মেডিকেলে যন্ত্রপাতির মূল মূল্যের চেয়ে ১৮৬ গুণ বেশি দেখানো হয়েছে। ১৭৫ কেটি টাকার নিম্ন মানের যন্ত্রপাতি কেনা হয় গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জন্যও। সাতক্ষীরা মেডিকেলে কলেজ, ফরিদপুর মেডিকেলে কলেজ, নোয়াখালী মেডিকেলে কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ডেন্টাল কলেজে ভুয়া যন্ত্রপাতির লেবেল লাগিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ও স্বাস্থখাতে দুর্নীতি থামছে না। মাস্ক, পিপি, ঔষধ, করোনা পরীক্ষা ইত্যাদিতে অনেক দুর্নীতি হচ্ছে। করোনা পরীক্ষার জন্য ৪ হাজার থেকে শুরু করে ১০/১২ হাজার টাকা ও লাগছে।
সরকারের উচ্চপর্যায়ের লোক জড়িত না থাকলে এতো বড় অঙ্কের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ সম্ভব নয়। বর্তমান অনেক মন্ত্রী, এমপি, সচিব, সাবেক স্বাস্থমন্ত্রী নাসিম এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান (বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান) সহ অনেকে দুর্নীতির সাথে জড়িত বলে অভিযোগ আছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সালমান রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে আটক করা হয়।
এতো দুর্নীতির কারণে স্বাস্থখাতে নাজুক অবস্থা, পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ও বেহাল দশা। অসুস্থ হলে পরীক্ষা করাবে তা ও পারছে না। এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থা যতদিন থাকবে ততদিন দুর্নীতি কমবে না এবং সাধারণ মানুষের ও ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।
রাসুল (সা.) বলেন, একটি সুই, সুতা বা তার চেয়ে কম হলেও সমর্পণ করে দেও। কারণ দুর্নীতি কেয়ামতের দিন দুর্নীতিবাজের ওপর অপমান, আগুন ও লজ্জা হিসেবে আপতিত হবে (মুয়াত্তা, দারেমী, আহমাদ)
“তোমরা প্রত্যেকেই রাখাল বা দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনস্ত লোকদের সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। শাসকও রাখাল বা দায়িত্বশীল, তাকে তার অধীনস্ত লোকদের ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে।“ (বুখারী: ৮৯৩, ৫১৮৮)
ইসলামী রাষ্ট্র প্রধান খলিফা তার জনগণের উপর দায়িত্বশীল। তাদের বিষয়গুলি দেখাশোনা করা এবং তাদের জীবনের প্রয়োজনীয় চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব। খিলাফত একসময় পুরো বিশ্বকে উন্নত হাসপাতাল তৈরি এবং তাদের প্রয়োজনীয় সরবরাহ সরবরাহে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর উদাহরণ হ'ল খেলাফত যুগের সময় এর বেশ কয়েকটি শহরে হাসপাতাল তৈরী ও চিকিৎসক মোতায়েন করা হয়েছিল: কেবল বাগদাদেই আন্তঃ রোগী ও বহিরাগত রোগী বিভাগ সুবিধা সম্বলিত ৬০ টি হাসপাতাল ছিল এবং যেখানে এক হাজারেরও বেশি চিকিত্সক ছিল। ১১৬০ সালে দামাস্কাসে নূর আল-দ্বীন প্রতিষ্ঠিত বিমিরিস্তান (হাসপাতাল) যা ৩০০ বছর ধরে স্থায়ী ছিল, রোগীদের বিনা ব্যয়ে চিকিৎসা করে এবং বিনা ব্যয়ে ওষুধ সরবরাহ করে। 1283 সালে কায়রোতে প্রতিষ্ঠিত বিমিরস্তান আল-মনসুরি হাসপাতালের মতো সরকারী হাসপাতালে 8,000 রোগীর আবাসন ব্যবস্থা ছিল। যেখানে প্রতিটি রোগীর জন্য দুজন পরিচারক ছিল, যারা তার স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুবিধার্থে সবকিছু করেন এবং প্রতিটি রোগীর নিজের বিছানা, বিছানাপত্র এবং খাওয়ার জন্য পাত্র ছিল। এখানে আন্তঃ রোগীদের এবং বহিরাগতদের রোগীদের বিনামূল্যে খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করতো।
খলিফা, আল-মুক্তাদির বিল্লাহ তার শাসনকালে আদেশ করেছিলেন যে প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালের ইউনিট প্রতিটি গ্রামে গিয়ে দেখা করতে হবে এবং পরের দিকে যাওয়ার আগে কিছুদিন সেখানে থাকতে হবে। সুতরাং বুঝা যায় যে খিলাফতের সময় প্রতিবন্ধী এবং গ্রামে যারা বাস করেন তাদের সঠিক চিকিত্সা যত্নের জন্য মোবাইল ডিসপেনসারি এবং ক্লিনিক থাকবে।
খিলাফত ব্যব্স্থায় খলিফা অবশ্যই "সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করবে" যার ব্যয় বায়তুল-মাল থেকে পরিশোধ করা হবে।
বেশিরভাগ যন্ত্রপাতিই কেনা হয়েছে চাহিদাপত্র ছাড়াই। ‘এ’ ক্যাটাগরির যন্ত্রপাতির মূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে ‘সি’ ক্যাটাগরির যন্ত্রপাতি। কখনো কখনো দেশে থেকেই যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে ট্যাগ লাগিয়ে দেয়া হয়েছে কোনো নামকরা বিদেশি কোম্পানির।
ফরিদপুর মেডিকেলে যন্ত্রপাতির মূল মূল্যের চেয়ে ১৮৬ গুণ বেশি দেখানো হয়েছে। ১৭৫ কেটি টাকার নিম্ন মানের যন্ত্রপাতি কেনা হয় গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জন্যও। সাতক্ষীরা মেডিকেলে কলেজ, ফরিদপুর মেডিকেলে কলেজ, নোয়াখালী মেডিকেলে কলেজ, ঢাকা মেডিকেলে কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ডেন্টাল কলেজে ভুয়া যন্ত্রপাতির লেবেল লাগিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ও স্বাস্থখাতে দুর্নীতি থামছে না। মাস্ক, পিপি, ঔষধ, করোনা পরীক্ষা ইত্যাদিতে অনেক দুর্নীতি হচ্ছে। করোনা পরীক্ষার জন্য ৪ হাজার থেকে শুরু করে ১০/১২ হাজার টাকা ও লাগছে।
সরকারের উচ্চপর্যায়ের লোক জড়িত না থাকলে এতো বড় অঙ্কের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ সম্ভব নয়। বর্তমান অনেক মন্ত্রী, এমপি, সচিব, সাবেক স্বাস্থমন্ত্রী নাসিম এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান (বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান) সহ অনেকে দুর্নীতির সাথে জড়িত বলে অভিযোগ আছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সালমান রহমানকে দুর্নীতির অভিযোগে আটক করা হয়।
এতো দুর্নীতির কারণে স্বাস্থখাতে নাজুক অবস্থা, পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ও বেহাল দশা। অসুস্থ হলে পরীক্ষা করাবে তা ও পারছে না। এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থা যতদিন থাকবে ততদিন দুর্নীতি কমবে না এবং সাধারণ মানুষের ও ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।
রাসুল (সা.) বলেন, একটি সুই, সুতা বা তার চেয়ে কম হলেও সমর্পণ করে দেও। কারণ দুর্নীতি কেয়ামতের দিন দুর্নীতিবাজের ওপর অপমান, আগুন ও লজ্জা হিসেবে আপতিত হবে (মুয়াত্তা, দারেমী, আহমাদ)
“তোমরা প্রত্যেকেই রাখাল বা দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনস্ত লোকদের সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। শাসকও রাখাল বা দায়িত্বশীল, তাকে তার অধীনস্ত লোকদের ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে।“ (বুখারী: ৮৯৩, ৫১৮৮)
ইসলামী রাষ্ট্র প্রধান খলিফা তার জনগণের উপর দায়িত্বশীল। তাদের বিষয়গুলি দেখাশোনা করা এবং তাদের জীবনের প্রয়োজনীয় চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব। খিলাফত একসময় পুরো বিশ্বকে উন্নত হাসপাতাল তৈরি এবং তাদের প্রয়োজনীয় সরবরাহ সরবরাহে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর উদাহরণ হ'ল খেলাফত যুগের সময় এর বেশ কয়েকটি শহরে হাসপাতাল তৈরী ও চিকিৎসক মোতায়েন করা হয়েছিল: কেবল বাগদাদেই আন্তঃ রোগী ও বহিরাগত রোগী বিভাগ সুবিধা সম্বলিত ৬০ টি হাসপাতাল ছিল এবং যেখানে এক হাজারেরও বেশি চিকিত্সক ছিল। ১১৬০ সালে দামাস্কাসে নূর আল-দ্বীন প্রতিষ্ঠিত বিমিরিস্তান (হাসপাতাল) যা ৩০০ বছর ধরে স্থায়ী ছিল, রোগীদের বিনা ব্যয়ে চিকিৎসা করে এবং বিনা ব্যয়ে ওষুধ সরবরাহ করে। 1283 সালে কায়রোতে প্রতিষ্ঠিত বিমিরস্তান আল-মনসুরি হাসপাতালের মতো সরকারী হাসপাতালে 8,000 রোগীর আবাসন ব্যবস্থা ছিল। যেখানে প্রতিটি রোগীর জন্য দুজন পরিচারক ছিল, যারা তার স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুবিধার্থে সবকিছু করেন এবং প্রতিটি রোগীর নিজের বিছানা, বিছানাপত্র এবং খাওয়ার জন্য পাত্র ছিল। এখানে আন্তঃ রোগীদের এবং বহিরাগতদের রোগীদের বিনামূল্যে খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করতো।
খলিফা, আল-মুক্তাদির বিল্লাহ তার শাসনকালে আদেশ করেছিলেন যে প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালের ইউনিট প্রতিটি গ্রামে গিয়ে দেখা করতে হবে এবং পরের দিকে যাওয়ার আগে কিছুদিন সেখানে থাকতে হবে। সুতরাং বুঝা যায় যে খিলাফতের সময় প্রতিবন্ধী এবং গ্রামে যারা বাস করেন তাদের সঠিক চিকিত্সা যত্নের জন্য মোবাইল ডিসপেনসারি এবং ক্লিনিক থাকবে।
খিলাফত ব্যব্স্থায় খলিফা অবশ্যই "সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করবে" যার ব্যয় বায়তুল-মাল থেকে পরিশোধ করা হবে।
✦আরও পড়ুনRead more
✦ বিশ্লেষণ ✦বয়ফ্রেন্ড না ব্যভিচার
বিশ্লেষণAnalysis
বয়ফ্রেন্ড না ব্যভিচার
১৬ আগস্ট ২০২২16 August 2022নয়া দিগন্ত
✦ বিশ্লেষণ ✦ইসলামী উম্মাহ বনাম জাতি রাষ্ট্র
বিশ্লেষণAnalysis
ইসলামী উম্মাহ বনাম জাতি রাষ্ট্র
১৮ আগস্ট ২০২১18 August 2021নয়া দিগন্ত
✦ বিশ্লেষণ ✦আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
বিশ্লেষণAnalysis
আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
কি এক পিকুলিয়ার জাতি আমরা! একটা নায়িকাকে নিয়ে পড়ে আছি আজ দিনের পর দিন। সবার ব্যাস্ততা তাকে নিয়েই। পরীমনি ইস্যুটাকে এতো হাইলাইট করে প্রশাসন আবার কোন…
১২ আগস্ট ২০২১12 August 2021