ব্যাংকে আমানত কতটা সুরক্ষিত: বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাহক ক্ষতিপূরণ পাবে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা
২2 মিনিটে পড়ুনmin read১৩ জুন ২০২০13 June 2020
কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে সেই ব্যাংকের বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীর নামে কোটি টাকা জমা থাকলেও তাকে মাত্র এক লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার বিধান রেখে ‘আমানত সুরক্ষা আইন ২০২০’ এর প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। কোনো আমানতকারীর এক লাখ টাকা জমা থাকলে তিনি পুরো অর্থই ফেরত পেতেন। তবে বেশি থাকলেও সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা দেওয়া হতো। অন্যান্য দেশেও আমানত সুরক্ষা আইনে এমনটি থাকে। আমেরিকাও তা আড়াই লাখ ডলার করেছে।
সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের কোনও নিশ্চয়তা নেই। এর আগে ওরিয়েন্টাল ব্যাংক এবং দ্য ফারমার্স ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। ২০০৬ সালে দেউলিয়া হয় ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। মালিকপক্ষের লুটপাটের কারণে অতিরুগ্ন হয়ে পড়লে ওই বছরের ১৯ জুন ব্যাংকটির দায়িত্ব নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে মালিকপক্ষের ৮৬ শতাংশ শেয়ারের বড় অংশ কিনে নেয় আইসিবি গ্রুপ। তারপর ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করে করা হয় আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক। কিন্তু গ্রাহকরা এখনও টাকা ফেরত পাননি। ১৯৯২ সালে ব্যাংক অব ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ইন্টারন্যাশনাল (বিসিসিআই) বিলুপ্ত হয়ে ইস্টার্ন ব্যাংক গড়ে উঠেছিল। যদিও বিসিসিআই’র বিভিন্ন দেশের গ্রাহকরা এখনও টাকা ফেরত পাননি।
খসড়ায় আরও বলা হয়, কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের পর তার আমানতকারীদের যে অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ট্রাস্ট তহবিল পরিশোধ করবে, সেটি সংশ্লিষ্ট দেউলিয়া হওয়া ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পদের বিপরীতে যে তারল্য থাকবে তা থেকে সমন্বয় করা হবে।[বাংলা ট্রিবিউন-ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০]
বড় কয়েকটি জালিয়াতির মাধ্যমে গত ১০ বছরে ব্যাংকিং খাতে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের বড় কয়েকটি ব্যাংক থেকে এ অর্থ লোপাট হয়। বেসিক ব্যাংকে ২০১৫ সালে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনা, ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) কেলেঙ্কারি, জনতা ব্যাংকের বড় কেলেঙ্কারি ছাড়াও সরকারি সোনালী-রূপালী-অগ্রণী ব্যাংকসহ কিছু বেসরকারি ব্যাংকেও বড় ধরনের ঋণ কেলেঙ্কারি, জালিয়াতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সোনালী ব্যাংক থেকে হল-মার্ক নিয়ে গেছে ৩ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক এ রিজার্ভ চুরির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে হারিয়েছে ৬৭৯ কোটি টাকা। [প্রথম আলো, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯]
# এস আলম ও হাশেম পরিবারের দখলে রয়েছে দেশের প্রভাবশালী ৯ ব্যাংক। এস আলম পরিবারের আধিপত্যে থাকা ব্যাংকগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরি গ্লোবাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। এছাড়া নতুন করে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মালিকানায় এসেছে চট্টগ্রামভিত্তিক এই পরিবার। আর পারটেক্সের হাশেম পরিবারের মালিকানায় রয়েছে সিটি ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক।
সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের কোনও নিশ্চয়তা নেই। এর আগে ওরিয়েন্টাল ব্যাংক এবং দ্য ফারমার্স ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। ২০০৬ সালে দেউলিয়া হয় ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। মালিকপক্ষের লুটপাটের কারণে অতিরুগ্ন হয়ে পড়লে ওই বছরের ১৯ জুন ব্যাংকটির দায়িত্ব নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে মালিকপক্ষের ৮৬ শতাংশ শেয়ারের বড় অংশ কিনে নেয় আইসিবি গ্রুপ। তারপর ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করে করা হয় আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক। কিন্তু গ্রাহকরা এখনও টাকা ফেরত পাননি। ১৯৯২ সালে ব্যাংক অব ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ইন্টারন্যাশনাল (বিসিসিআই) বিলুপ্ত হয়ে ইস্টার্ন ব্যাংক গড়ে উঠেছিল। যদিও বিসিসিআই’র বিভিন্ন দেশের গ্রাহকরা এখনও টাকা ফেরত পাননি।
খসড়ায় আরও বলা হয়, কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের পর তার আমানতকারীদের যে অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ট্রাস্ট তহবিল পরিশোধ করবে, সেটি সংশ্লিষ্ট দেউলিয়া হওয়া ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পদের বিপরীতে যে তারল্য থাকবে তা থেকে সমন্বয় করা হবে।[বাংলা ট্রিবিউন-ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০]
বড় কয়েকটি জালিয়াতির মাধ্যমে গত ১০ বছরে ব্যাংকিং খাতে ২২ হাজার ৫০২ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের বড় কয়েকটি ব্যাংক থেকে এ অর্থ লোপাট হয়। বেসিক ব্যাংকে ২০১৫ সালে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনা, ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) কেলেঙ্কারি, জনতা ব্যাংকের বড় কেলেঙ্কারি ছাড়াও সরকারি সোনালী-রূপালী-অগ্রণী ব্যাংকসহ কিছু বেসরকারি ব্যাংকেও বড় ধরনের ঋণ কেলেঙ্কারি, জালিয়াতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সোনালী ব্যাংক থেকে হল-মার্ক নিয়ে গেছে ৩ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক এ রিজার্ভ চুরির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে হারিয়েছে ৬৭৯ কোটি টাকা। [প্রথম আলো, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯]
# এস আলম ও হাশেম পরিবারের দখলে রয়েছে দেশের প্রভাবশালী ৯ ব্যাংক। এস আলম পরিবারের আধিপত্যে থাকা ব্যাংকগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরি গ্লোবাল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। এছাড়া নতুন করে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মালিকানায় এসেছে চট্টগ্রামভিত্তিক এই পরিবার। আর পারটেক্সের হাশেম পরিবারের মালিকানায় রয়েছে সিটি ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক।
✦আরও পড়ুনRead more
✦ বিশ্লেষণ ✦বয়ফ্রেন্ড না ব্যভিচার
বিশ্লেষণAnalysis
বয়ফ্রেন্ড না ব্যভিচার
১৬ আগস্ট ২০২২16 August 2022নয়া দিগন্ত
✦ বিশ্লেষণ ✦ইসলামী উম্মাহ বনাম জাতি রাষ্ট্র
বিশ্লেষণAnalysis
ইসলামী উম্মাহ বনাম জাতি রাষ্ট্র
১৮ আগস্ট ২০২১18 August 2021নয়া দিগন্ত
✦ বিশ্লেষণ ✦আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
বিশ্লেষণAnalysis
আপত্তিকর অবস্থায় পেলে ১০০ টাকা জরিমানা! হায়রে মানবরোচিত আইন!!!
কি এক পিকুলিয়ার জাতি আমরা! একটা নায়িকাকে নিয়ে পড়ে আছি আজ দিনের পর দিন। সবার ব্যাস্ততা তাকে নিয়েই। পরীমনি ইস্যুটাকে এতো হাইলাইট করে প্রশাসন আবার কোন…
১২ আগস্ট ২০২১12 August 2021