পুরুষ সন্তান/কন্যা সন্তান কেন হয়?
৪ মিনিটে পড়ুন৮ ডিসেম্বর ২০২০
পুরুষ সন্তান কেন হয়?
’ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে নারীদের বীর্য পুর“ষের আগে আসে এবং কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে পুঅনেক আগে থেকেই মানুষ শিশুদের ক্ষেত্রে অপছন্দীয় লিঙ্গ পরিহার করে তার ইচ্ছেমত লিঙ্গ নির্ধারণের চেষ্টায় রত ছিল- সেটা যেভাবেই হোক না কেন।
জাহেলিয়াতের সময় যুদ্ধে সহায়তা ও বংশগতি রক্ষার জন্য ছেলে শিশু বেশী কাম্য ছিল এবং কন্যা সন্তানকে জীবন্ত পুতে ফেলা হত। এ সর্ম্পকে আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা বলেন:
‘যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কি অপরাধে তাকে হত্য করা হল?’ (সূরা আত তাকভীর:৮-৯)
অনাকাক্সিখত সন্তান অপসারণের ক্ষেত্রে অন্যান্য কিছু পদ্ধতি চালু আছে। যেমন একটি হল মায়ের গর্ভাশয় স্ক্যান করে যদি অনাকাক্সিখত লিঙ্গের সন্তান পাওয়া যায় তাহলে লোকেরা গর্ভপাত ঘটায় অর্থাৎ মহিলার জরায়ু থেকে বিকাশমান শিশুর ভ্র“ণকে অপসারণ করে ফেলে।
পরবর্তীতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের আরও উন্নয়ন সাধিত হল এবং নতুন নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে ভ্র“ণের অবস্থা পর্যবে¶ণ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হল। তখন জানা গেল জিনের এসিডিক প্রবণতা মেয়ে শিশু হবার ক্ষেত্রে সহায়ক, অন্যদিকে জিনের ক্ষারীয় প্রবণতা পুত্র সন্তানের জন্য সহায়ক। সেকারণে তারা সঙ্গমের পূর্বে নারীর গোপনাঙ্গের ভেতরের পরিবেশ বিশেষ প্রক্রিয়ায় ক্ষারীয় রাখে। এর জন্য তারা ‘alkaline douches’ নামে একধরনের তরল ব্যবহার করে যা পুত্র সন্তান জন্মাবার ক্ষেত্রে সহায়ক বলে ধারণা করা হয়। তারপর তারা খাদ্যাভাস নিয়ে গবেষণা শুর“ করে যা নারীর দেহকে এসিডিক বা ক্ষারীয় রাখে। গবেষণার মাধ্যমে তারা দেখতে পেল খাদ্য ভ্রণের লিঙ্গ নির্ধারণে দু’ভাবে ভূমিকা পালন করে:
প্রথমত: এটি গর্ভাশয় ও গুপ্তাঙ্গের পরিবেশকে এসিডিক বা ক্ষারীয় রাখে।
তারা দেখতে পেল পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম ক্ষারীয় পরিবেশ সুনিশ্চিত করে এবং যা অধিকাংশক্ষেত্রে ছেলে সন্তান গর্ভধারণে সহায়ক। অন্যদিকে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম এসিডিক পরিবেশ নিশ্চিত করে এবং অধিকাংশক্ষেত্রে মেয়ে সন্তান গর্ভধারণে সহায়ক।
দ্বিতীয়ত:খাদ্যাভাস ডিম্বকোষের প্রাচীরের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং পুংজননকোষ বা স্ত্রী জননকোষকে গ্রহণের দিক থেকে অনেক সাবলীল থাকে।
সেকারণে তারা দম্পতিকে বিশেষ ধরনের খাবার তালিকা দিয়ে থাকে বিশেষ করে গর্ভধারণকারী নারীদের- যাতে তারা ছেলে সন্তান প্রসব করে। এসব খাবার ক্ষারীয় পরিবেশ তৈরি করে, যেমন লবণাক্ত গর“র গোশত খাওয়া, দুধ ও দুধজাত খাবার থেকে বিরত থাকা, প্রচুর মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া, ফলমূল এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ ঔষধ গ্রহণ প্রভৃতি।
অন্যদিকে মেয়ে সন্তান আকাক্সিখত হলে শরীরে এসিডিক পরিবেশ নিশ্চিত করবার জন্য দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া; লবণাক্ত গোমাংস, ফলমূল ও মসলাযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়াও এমন সব ঔষধ খেতে দেয়া হয় যা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ এবং খাবার দেয়া হয় যা এসিডিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
তারা তখন আরেকটি পদ্ধতি আবিষ্কার করল। পর্যবে¶নের মাধ্যমে দেখতে পেল, যদি নারীর ডিমকোষ পুর“ষের শুক্রাণুর আগে জরায়ুতে এসে পৌছায় অর্থাৎ পুর“ষের শুক্রাণু যদি নারীর ডিমকোষের পরে স্খলিত হয়, তাহলে নিষেকের পর ছেলে সন্তান হবার সম্ভাবনা বেশী। উল্টোদিকে যদি পুর“ষের শুক্রাণু নারীর ডিমকোষের আগে এসে জরায়ুতে পৌছায় এবং নিষেক ঘটে তাহলে মেয়ে সন্তান হবার সম্ভাবনা বেশী। ডিমকোষ থাকা অবস্থায় সঙ্গম করা হলে (জরায়ু থেকে ডিমকোষ নিঃসরণের একদিনের মধ্যে) ছেলে সন্তানের সম্ভাবনা বেশী এবং বিপরীতক্রমে সঙ্গমের মাধ্যমে ডিমকোষের আগে শুক্রাণু জরায়ুতে পৌছে গেলে মেয়ে সন্তান হবার প্রবণতা খুব বেশী। সেকারণে পরামর্শ দেয়া হয়, যখন নিষিক্ত ডিমটি অনাকাক্সিখত গঠন বা অনাকাক্সিখত লিঙ্গের তখন বীর্যস্খলন বাহিরে ঘটানো বা জন্মনিরোধক ব্যবহার করতে এবং সেসময় বীর্যস্খলন বাহিরে ঘটানো বা জন্মনিরোধক ব্যবহার করা উচিত হবে না যখন নিষিক্ত ডিমটি কাক্সিখত গঠন বা কাক্সিখত লিঙ্গের হবে।
সুতরাং বাহিরে বীর্য স্খলন এবং নিরোধক ব্যবহার করা আসলে একটি নির্দিষ্ট লিঙ্গের ভ্র“ণের উপর অপর একটি লিঙ্গের ভ্র“ণকে নির্বাচন করবার প্রক্রিয়া।
সেকারণে জরায়ু থেকে ডিমকোষ অবমুক্ত হওয়ার সময় ভালভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। ছেলে সন্তান কাক্সিখত হলে জরায়ু থেকে ডিমকোষ অবমুক্ত হওয়ার আগে সঙ্গম হওয়া উচিত নয়, যার অর্থ হল শুক্রাণু গর্ভাশয়ে যাবার পর আর কোন ডিমকোষ নির্গত হবে না। সুতরাং এ সময় বীর্যস্খলন বাহিরে ঘটানো বা জন্মনিরোধক ব্যবহার করা উচিত এবং যখন ডিমকোষ গর্ভাশয়ে থাকবে তখনই পুরুষটিকে সঙ্গমের মাধ্যমে শুক্রাণুর স্খলন ঘটাতে হবে। অন্যদিকে মেয়ে সন্তান কাঙ্ক্ষিত হলে, জরায়ু থেকে ডিমকোষ অবমুক্ত হওয়ার সময় এবং তার পরে সঙ্গম করা যাবে না, বরং ডিমকোষ অবমুক্ত হবার আগ মুহূর্তে সঙ্গম করতে পারলে ভাল। যদি ডিমকোষ অবমুক্ত হবার বেশী আগে সঙ্গম করা হয় তাহলে শুক্রাণু ডিমকোষকে নিষিক্ত করবার আগেই মারা যেতে পারে।
বুখারী বর্ণিত একটি হাদীসে পরের অবস্থাটি সর্ম্পকে বলা হয় এবং মুসলিম তার সহীহ মুসলিমেও অন্য একটি হাদীসে এ ব্যাপারে বর্ণণা করেন। বুখারী বর্নিত হাদীসটি হল:
ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে নারীদের বীর্য পুর“ষের আগে আসে এবং কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে পুর“ষের বীর্য নারীর আগে আসে (বুখারী)
একজন ইহুদি রাসূল (সা.) এর কাছে আসলেন এবং তাকে কিছু প্রশ্ন করলেন এবং ছেলে সন্তানের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি (সা.) বলেন, দম্পতিদের মধ্যকার যৌনসঙ্গমকালে পুরুষের পদার্থ নারীর পদার্থের উপর বিজয় লাভ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় পুত্র সন্তান লাভ হয়. অপরদিকে যখন নারীর পদার্থ পুরুষের উপর বিজয় লাভ করে তখন আল্লাহর ইচ্ছায় কন্যা সন্তান লাভ হয় [মুসলিম]
প্রকৃত প্রস্তাবে পুর“ষের শুক্রাণু নারীর ডিম্বাণুর উপর বিজয় লাভ করার অর্থ হচ্ছে নারীর ডিম্বাণু পুর“ষের শুক্রাণুর আগে চলে আসে। আর এ অবস্থায় আল্লাহর ইচ্ছায় ছেলে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রবল। অপরদিকে পুর“ষের শুক্রাণুর উপর নারীর ডিম্বাণুর বিজয় লাভ করার অর্থ হচ্ছে নারীর ডিম্বাণু পুর“ষের শুক্রাণুর পরে আসে এবং এতে করে আল্লাহর ইচ্ছায় কন্যা সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রবল।
’ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে নারীদের বীর্য পুর“ষের আগে আসে এবং কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে পুঅনেক আগে থেকেই মানুষ শিশুদের ক্ষেত্রে অপছন্দীয় লিঙ্গ পরিহার করে তার ইচ্ছেমত লিঙ্গ নির্ধারণের চেষ্টায় রত ছিল- সেটা যেভাবেই হোক না কেন।
জাহেলিয়াতের সময় যুদ্ধে সহায়তা ও বংশগতি রক্ষার জন্য ছেলে শিশু বেশী কাম্য ছিল এবং কন্যা সন্তানকে জীবন্ত পুতে ফেলা হত। এ সর্ম্পকে আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা বলেন:
‘যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কি অপরাধে তাকে হত্য করা হল?’ (সূরা আত তাকভীর:৮-৯)
অনাকাক্সিখত সন্তান অপসারণের ক্ষেত্রে অন্যান্য কিছু পদ্ধতি চালু আছে। যেমন একটি হল মায়ের গর্ভাশয় স্ক্যান করে যদি অনাকাক্সিখত লিঙ্গের সন্তান পাওয়া যায় তাহলে লোকেরা গর্ভপাত ঘটায় অর্থাৎ মহিলার জরায়ু থেকে বিকাশমান শিশুর ভ্র“ণকে অপসারণ করে ফেলে।
পরবর্তীতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের আরও উন্নয়ন সাধিত হল এবং নতুন নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে ভ্র“ণের অবস্থা পর্যবে¶ণ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হল। তখন জানা গেল জিনের এসিডিক প্রবণতা মেয়ে শিশু হবার ক্ষেত্রে সহায়ক, অন্যদিকে জিনের ক্ষারীয় প্রবণতা পুত্র সন্তানের জন্য সহায়ক। সেকারণে তারা সঙ্গমের পূর্বে নারীর গোপনাঙ্গের ভেতরের পরিবেশ বিশেষ প্রক্রিয়ায় ক্ষারীয় রাখে। এর জন্য তারা ‘alkaline douches’ নামে একধরনের তরল ব্যবহার করে যা পুত্র সন্তান জন্মাবার ক্ষেত্রে সহায়ক বলে ধারণা করা হয়। তারপর তারা খাদ্যাভাস নিয়ে গবেষণা শুর“ করে যা নারীর দেহকে এসিডিক বা ক্ষারীয় রাখে। গবেষণার মাধ্যমে তারা দেখতে পেল খাদ্য ভ্রণের লিঙ্গ নির্ধারণে দু’ভাবে ভূমিকা পালন করে:
প্রথমত: এটি গর্ভাশয় ও গুপ্তাঙ্গের পরিবেশকে এসিডিক বা ক্ষারীয় রাখে।
তারা দেখতে পেল পটাসিয়াম এবং সোডিয়াম ক্ষারীয় পরিবেশ সুনিশ্চিত করে এবং যা অধিকাংশক্ষেত্রে ছেলে সন্তান গর্ভধারণে সহায়ক। অন্যদিকে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম এসিডিক পরিবেশ নিশ্চিত করে এবং অধিকাংশক্ষেত্রে মেয়ে সন্তান গর্ভধারণে সহায়ক।
দ্বিতীয়ত:খাদ্যাভাস ডিম্বকোষের প্রাচীরের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং পুংজননকোষ বা স্ত্রী জননকোষকে গ্রহণের দিক থেকে অনেক সাবলীল থাকে।
সেকারণে তারা দম্পতিকে বিশেষ ধরনের খাবার তালিকা দিয়ে থাকে বিশেষ করে গর্ভধারণকারী নারীদের- যাতে তারা ছেলে সন্তান প্রসব করে। এসব খাবার ক্ষারীয় পরিবেশ তৈরি করে, যেমন লবণাক্ত গর“র গোশত খাওয়া, দুধ ও দুধজাত খাবার থেকে বিরত থাকা, প্রচুর মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া, ফলমূল এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ ঔষধ গ্রহণ প্রভৃতি।
অন্যদিকে মেয়ে সন্তান আকাক্সিখত হলে শরীরে এসিডিক পরিবেশ নিশ্চিত করবার জন্য দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া; লবণাক্ত গোমাংস, ফলমূল ও মসলাযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়াও এমন সব ঔষধ খেতে দেয়া হয় যা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ এবং খাবার দেয়া হয় যা এসিডিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
তারা তখন আরেকটি পদ্ধতি আবিষ্কার করল। পর্যবে¶নের মাধ্যমে দেখতে পেল, যদি নারীর ডিমকোষ পুর“ষের শুক্রাণুর আগে জরায়ুতে এসে পৌছায় অর্থাৎ পুর“ষের শুক্রাণু যদি নারীর ডিমকোষের পরে স্খলিত হয়, তাহলে নিষেকের পর ছেলে সন্তান হবার সম্ভাবনা বেশী। উল্টোদিকে যদি পুর“ষের শুক্রাণু নারীর ডিমকোষের আগে এসে জরায়ুতে পৌছায় এবং নিষেক ঘটে তাহলে মেয়ে সন্তান হবার সম্ভাবনা বেশী। ডিমকোষ থাকা অবস্থায় সঙ্গম করা হলে (জরায়ু থেকে ডিমকোষ নিঃসরণের একদিনের মধ্যে) ছেলে সন্তানের সম্ভাবনা বেশী এবং বিপরীতক্রমে সঙ্গমের মাধ্যমে ডিমকোষের আগে শুক্রাণু জরায়ুতে পৌছে গেলে মেয়ে সন্তান হবার প্রবণতা খুব বেশী। সেকারণে পরামর্শ দেয়া হয়, যখন নিষিক্ত ডিমটি অনাকাক্সিখত গঠন বা অনাকাক্সিখত লিঙ্গের তখন বীর্যস্খলন বাহিরে ঘটানো বা জন্মনিরোধক ব্যবহার করতে এবং সেসময় বীর্যস্খলন বাহিরে ঘটানো বা জন্মনিরোধক ব্যবহার করা উচিত হবে না যখন নিষিক্ত ডিমটি কাক্সিখত গঠন বা কাক্সিখত লিঙ্গের হবে।
সুতরাং বাহিরে বীর্য স্খলন এবং নিরোধক ব্যবহার করা আসলে একটি নির্দিষ্ট লিঙ্গের ভ্র“ণের উপর অপর একটি লিঙ্গের ভ্র“ণকে নির্বাচন করবার প্রক্রিয়া।
সেকারণে জরায়ু থেকে ডিমকোষ অবমুক্ত হওয়ার সময় ভালভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। ছেলে সন্তান কাক্সিখত হলে জরায়ু থেকে ডিমকোষ অবমুক্ত হওয়ার আগে সঙ্গম হওয়া উচিত নয়, যার অর্থ হল শুক্রাণু গর্ভাশয়ে যাবার পর আর কোন ডিমকোষ নির্গত হবে না। সুতরাং এ সময় বীর্যস্খলন বাহিরে ঘটানো বা জন্মনিরোধক ব্যবহার করা উচিত এবং যখন ডিমকোষ গর্ভাশয়ে থাকবে তখনই পুরুষটিকে সঙ্গমের মাধ্যমে শুক্রাণুর স্খলন ঘটাতে হবে। অন্যদিকে মেয়ে সন্তান কাঙ্ক্ষিত হলে, জরায়ু থেকে ডিমকোষ অবমুক্ত হওয়ার সময় এবং তার পরে সঙ্গম করা যাবে না, বরং ডিমকোষ অবমুক্ত হবার আগ মুহূর্তে সঙ্গম করতে পারলে ভাল। যদি ডিমকোষ অবমুক্ত হবার বেশী আগে সঙ্গম করা হয় তাহলে শুক্রাণু ডিমকোষকে নিষিক্ত করবার আগেই মারা যেতে পারে।
বুখারী বর্ণিত একটি হাদীসে পরের অবস্থাটি সর্ম্পকে বলা হয় এবং মুসলিম তার সহীহ মুসলিমেও অন্য একটি হাদীসে এ ব্যাপারে বর্ণণা করেন। বুখারী বর্নিত হাদীসটি হল:
ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে নারীদের বীর্য পুর“ষের আগে আসে এবং কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে পুর“ষের বীর্য নারীর আগে আসে (বুখারী)
একজন ইহুদি রাসূল (সা.) এর কাছে আসলেন এবং তাকে কিছু প্রশ্ন করলেন এবং ছেলে সন্তানের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি (সা.) বলেন, দম্পতিদের মধ্যকার যৌনসঙ্গমকালে পুরুষের পদার্থ নারীর পদার্থের উপর বিজয় লাভ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় পুত্র সন্তান লাভ হয়. অপরদিকে যখন নারীর পদার্থ পুরুষের উপর বিজয় লাভ করে তখন আল্লাহর ইচ্ছায় কন্যা সন্তান লাভ হয় [মুসলিম]
প্রকৃত প্রস্তাবে পুর“ষের শুক্রাণু নারীর ডিম্বাণুর উপর বিজয় লাভ করার অর্থ হচ্ছে নারীর ডিম্বাণু পুর“ষের শুক্রাণুর আগে চলে আসে। আর এ অবস্থায় আল্লাহর ইচ্ছায় ছেলে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রবল। অপরদিকে পুর“ষের শুক্রাণুর উপর নারীর ডিম্বাণুর বিজয় লাভ করার অর্থ হচ্ছে নারীর ডিম্বাণু পুর“ষের শুক্রাণুর পরে আসে এবং এতে করে আল্লাহর ইচ্ছায় কন্যা সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রবল।
✦আরও পড়ুন
চেষ্টা করলে কি লিখিত রিজিকের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়?Does striving increase the amount of the written Rizq? Does this mean that the person sitting at home gets the same Rizq as when he works? Or in…ফিকহ ও উসুলমসজিদের জন্য কোন অমুসলিমদের দান করা টাকা গ্রহণ করা কি জায়েজ? এবং যে মসজিদে কুফফারের টাকা ব্যবহার করা হয়েছে সেখানে কি নামায পড়া জায়েয?As for the first part, which is the acceptance of Kuffar’s donations to the Masjid, this issue has opinions . There are some Fuqaha ((Jurisprudents)…ফিকহ ও উসুলযে আত্মহত্যা করে তাকে কি কাফির বলা যাবে?With regard to the issue of the person who commits suicide, whether he is considered a kaffir or remains Muslim, the issue is as follows: First:…ফিকহ ও উসুলযাকাত সম্পর্কিত নিয়ম (আহকাম) কি কি?Zakat is obligatory on the gold and silver if they have reached the Nisab and this Nisab passed a year over it, and the Zakat is paid from the whole…ফিকহ ও উসুলইলেকট্রিক ব্যাট দিয়ে মশা মারা কি জায়েজ?Differentiation between burning with fire and burning with electricity is not accurate, the issue is one. Setting fire to firewood produces heat that…ফিকহ ও উসুলঅ্যালকোহলযুক্ত সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে কি?In regards to 'Utoor (perfumes) that contain alcohol then the rulings of alcohol apply upon them and this is because the Messenger صلى الله عليه وسلم…ফিকহ ও উসুল