হযরত আলী (রাঃ) এর জীবনের অবিস্মরণীয় সেই ঘটনা!
২ মিনিটে পড়ুন ২ বার দেখা হয়েছে১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

নবী জামাতা হজরত আলী (রাঃ)। তিনি তখন রাষ্ট্র প্রধান। মুসলিম বিশ্বের অধিপতি। হজরত আলীর একটি লৌহবর্ম হারিয়ে যায়। পান একজন ইহুদি। তাও সেই ইহুদি কুফার বাজারে লৌহবর্মটি বিক্রি করছে।
হজরত আলী নিজের লৌহর্বম বিক্রি করতে দেখে ইহুদিকে বলেন, "লৌহবর্মটি তো আমার। আমি এটা কারো কাছে বেচিওনি, কাউকে দানও করিনি। এটা আমার উটের পিঠ থেকে অমুক দিন অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল। সুতরাং লৌহবর্মটি ফিরিয়ে দিন"। ইহুদি বলল এটা আমার জিনিস, আমার হাতে আছে। হজরত আলী বললেন লৌহবর্মটি আমাকে ফিরিয়ে দিন! বর্মটি আমারই!
ইহুদির সঙ্গে খলিফার তর্কে সমাধান হচ্ছে না। হজরত আলী বললেন চলো তাহলে বিচারপতির আদালতে! আইনি লড়াইয়ে সমাধান করে আসি। উভয়ে মদিনার বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) আদালতে হাজির। হজরত আলী (রাঃ) কে বিচারপতি জিজ্ঞাসা করলেন, আমিরুল মুমিনিন! আপনার বক্তব্য কী? তিনি বললেন তার কাছে যে বর্মটি দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমার। এটা আমার উটের পিঠ থেকে অমুক দিন অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল। বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) ইহুদির কাছে তার বক্তব্য জানতে চান। ইহুদি বলেন দেখুন এটা আমারই। কারণ আমার দখলেই তা রয়েছে। দখল যার সম্পদ তার!
সব শোনার পর বিচারপতি সুরাইহ (রাঃ) বললেন আমিরুল মুমিনিন সাক্ষি পেশ করুন! হজরত আলী বললেন আমার ছেলে হাসান এবং আমার আজাদকরা ক্রীতদাস কুনবুর সাক্ষি!
বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) বললেন আমিরুল মুমিনিন পিতার পক্ষে পুত্রের সাক্ষ্য এবং মনিবের পক্ষে গোলামের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। তারপর বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) ইহুদির পক্ষে রায় দেন।
আইনি লড়াই হেরে গেলেন হজরত আলী (রাঃ)! তবে জয় হয়েছে ইসলামের। রায় শুনে সেদিন এই ইহুদি বলেছিল আমিরুল মুমিনিন আমাকে আদালতে নিয়ে এলেন। আদালত আপনার বিপক্ষে রায় দিল। অথচ আপনি রাষ্ট্র প্রধান। বাইশ লক্ষবর্গ মাইলের মুসলিম বিশ্বের অধিপতি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি ইসলাম সত্যধর্ম। আমাকে এই সত্যধর্মের কালিমা পড়িয়ে দিন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসুল! আমিরুল মুমিনিন! এই লৌহবর্ম আপনার। রাতের অন্ধকারে পড়ে গিয়েছিল।
হজরত আলী নিজের লৌহর্বম বিক্রি করতে দেখে ইহুদিকে বলেন, "লৌহবর্মটি তো আমার। আমি এটা কারো কাছে বেচিওনি, কাউকে দানও করিনি। এটা আমার উটের পিঠ থেকে অমুক দিন অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল। সুতরাং লৌহবর্মটি ফিরিয়ে দিন"। ইহুদি বলল এটা আমার জিনিস, আমার হাতে আছে। হজরত আলী বললেন লৌহবর্মটি আমাকে ফিরিয়ে দিন! বর্মটি আমারই!
ইহুদির সঙ্গে খলিফার তর্কে সমাধান হচ্ছে না। হজরত আলী বললেন চলো তাহলে বিচারপতির আদালতে! আইনি লড়াইয়ে সমাধান করে আসি। উভয়ে মদিনার বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) আদালতে হাজির। হজরত আলী (রাঃ) কে বিচারপতি জিজ্ঞাসা করলেন, আমিরুল মুমিনিন! আপনার বক্তব্য কী? তিনি বললেন তার কাছে যে বর্মটি দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমার। এটা আমার উটের পিঠ থেকে অমুক দিন অমুক স্থানে পড়ে গিয়েছিল। বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) ইহুদির কাছে তার বক্তব্য জানতে চান। ইহুদি বলেন দেখুন এটা আমারই। কারণ আমার দখলেই তা রয়েছে। দখল যার সম্পদ তার!
সব শোনার পর বিচারপতি সুরাইহ (রাঃ) বললেন আমিরুল মুমিনিন সাক্ষি পেশ করুন! হজরত আলী বললেন আমার ছেলে হাসান এবং আমার আজাদকরা ক্রীতদাস কুনবুর সাক্ষি!
বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) বললেন আমিরুল মুমিনিন পিতার পক্ষে পুত্রের সাক্ষ্য এবং মনিবের পক্ষে গোলামের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। তারপর বিচারপতি হজরত সুরাইহ (রাঃ) ইহুদির পক্ষে রায় দেন।
আইনি লড়াই হেরে গেলেন হজরত আলী (রাঃ)! তবে জয় হয়েছে ইসলামের। রায় শুনে সেদিন এই ইহুদি বলেছিল আমিরুল মুমিনিন আমাকে আদালতে নিয়ে এলেন। আদালত আপনার বিপক্ষে রায় দিল। অথচ আপনি রাষ্ট্র প্রধান। বাইশ লক্ষবর্গ মাইলের মুসলিম বিশ্বের অধিপতি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি ইসলাম সত্যধর্ম। আমাকে এই সত্যধর্মের কালিমা পড়িয়ে দিন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসুল! আমিরুল মুমিনিন! এই লৌহবর্ম আপনার। রাতের অন্ধকারে পড়ে গিয়েছিল।
✦আরও পড়ুন

খিলাফতের ইতিহাস
কুরআনের সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ
আব্বাসীয় খলীফা মামূনুর রশীদের দরবারে মাঝে মাঝে শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হত। এতে তৎকালীন বিভিন্ন বিষয়ে বিদগ্ধ পন্ডিতগণ…

খিলাফতের ইতিহাস
গর্ব করার মত এক ইতিহাস!!
ওসমানীয় খেলাফত চলছে তখন, ১৮৪৫ সাল। খলিফা আব্দুল মাজিদ ইস্তাম্বুলের মসনদে। এসময়ে এসেও ইউরোপের অবস্থা খুব একটা সুবিধার ছিলনা, বিভিন্ন আর্থিক-সামাজিক…

খিলাফতের ইতিহাস
হযরত ওমরের চুমু!
হযরত ওমরের শাসন চলছে। শুরু হয়েছে রোম সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যুদ্ধে বন্দি হয়েছেন অনেক মুসলিম সৈনিক। সঙ্গে বন্দি একজন সাহাবিও। রাসূল (সাঃ) - এর…