আল্লাহর রাহে খরচের আকাংখ্যা
১ মিনিটে পড়ুন১৩ জুন ২০২০

অষ্টম হিজরী সাল।
সাইফুল বাহার যুদ্ধে যোগদান করেছে মুসলমানদের একটি ছোট্ট বাহিনী। এই তিনশ, সদস্যের বাহিনীর মধ্যে আবু বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ) ছিলেন। আর ছিলেন মদীনার খাজরাজ সর্দার সা‘আদ বিন উবাদাহর ছেলে কায়েস (রাঃ)।
এই মুসলিম বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন আবু উবায়দাহ ইবনুল যাররাহ (রাঃ)।
অভিযানকালে মুসলিম বাহিনীর রসদ ফুরিয়ে গেলে ভয়ানক সংকটে পড়ল তারা। এই অবস্থা দেখে কায়েস উট ধার করে এনে সবার জন্যে জবাই করতেন।
এভাবে তিনি তিন দিনে ৯টি উট ধার করে জবাই করার পর আবু বকর ও উমর চিন্তিত হয়ে পড়লেন এবং অধিনায়ক আবু উবায়দাহ ইবনুল যাররাহকে গিয়ে বললেন, "কায়েস এভাবে যদি প্রতিদিন উট ধার করে এনে জবাই করতে থাকে, তাহলে তার পিতার সব সম্পদ সে এখানেই শেষ করে দেবে। আপনি তাকে উট জবাই থেকে বারণ করুন।"
আবু উবায়দা (রাঃ) কায়েসকে সে মুতাবিক নির্দেশ দিলেন।
যুদ্ধ থেকে মদীনায় ফেরার পর কায়েস (রাঃ) পিতার কাছে মুসলিম বাহিনীর রসদ সংকট ও দুঃখ-দুর্দশার কথা জানালেন।
পিতা তাকে বলল, তুমি উট যোগাড় করে সকলের জন্যে জবাই করতে পারতে।
কায়েস (রাঃ) বললেন, পর পর তিন দিন আমি তাই করেছি।
কিন্তু আবু বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ) এই কথা বলায় অধিনায়ক আবু উবায়দা (রাঃ) আমাকে উট জবাই করতে বারণ করেন।
ক্ষোভ ও আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়লেন সা‘আদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ)।
তিনি ছুটলেন মহানবীর কাছে। মহানবী (সাঃ) তখন বসেছিলেন।
সা‘আদ (রাঃ) তাঁর পেছনে এসে দাঁড়ালেন এবং অভিমান-ক্ষোভ ও আবেগ-জড়িত কণ্ঠে মহানবী (সাঃ)-কে বললেন, “ইবনে আবু কুহাফাহ এবং ইবনে খাত্তাব-এর পক্ষ থেকে কেউ জবাব দিক যে, তারা আমার পুত্রকে কেন বখিল বানাতে চায়?”
সাইফুল বাহার যুদ্ধে যোগদান করেছে মুসলমানদের একটি ছোট্ট বাহিনী। এই তিনশ, সদস্যের বাহিনীর মধ্যে আবু বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ) ছিলেন। আর ছিলেন মদীনার খাজরাজ সর্দার সা‘আদ বিন উবাদাহর ছেলে কায়েস (রাঃ)।
এই মুসলিম বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন আবু উবায়দাহ ইবনুল যাররাহ (রাঃ)।
অভিযানকালে মুসলিম বাহিনীর রসদ ফুরিয়ে গেলে ভয়ানক সংকটে পড়ল তারা। এই অবস্থা দেখে কায়েস উট ধার করে এনে সবার জন্যে জবাই করতেন।
এভাবে তিনি তিন দিনে ৯টি উট ধার করে জবাই করার পর আবু বকর ও উমর চিন্তিত হয়ে পড়লেন এবং অধিনায়ক আবু উবায়দাহ ইবনুল যাররাহকে গিয়ে বললেন, "কায়েস এভাবে যদি প্রতিদিন উট ধার করে এনে জবাই করতে থাকে, তাহলে তার পিতার সব সম্পদ সে এখানেই শেষ করে দেবে। আপনি তাকে উট জবাই থেকে বারণ করুন।"
আবু উবায়দা (রাঃ) কায়েসকে সে মুতাবিক নির্দেশ দিলেন।
যুদ্ধ থেকে মদীনায় ফেরার পর কায়েস (রাঃ) পিতার কাছে মুসলিম বাহিনীর রসদ সংকট ও দুঃখ-দুর্দশার কথা জানালেন।
পিতা তাকে বলল, তুমি উট যোগাড় করে সকলের জন্যে জবাই করতে পারতে।
কায়েস (রাঃ) বললেন, পর পর তিন দিন আমি তাই করেছি।
কিন্তু আবু বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ) এই কথা বলায় অধিনায়ক আবু উবায়দা (রাঃ) আমাকে উট জবাই করতে বারণ করেন।
ক্ষোভ ও আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়লেন সা‘আদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ)।
তিনি ছুটলেন মহানবীর কাছে। মহানবী (সাঃ) তখন বসেছিলেন।
সা‘আদ (রাঃ) তাঁর পেছনে এসে দাঁড়ালেন এবং অভিমান-ক্ষোভ ও আবেগ-জড়িত কণ্ঠে মহানবী (সাঃ)-কে বললেন, “ইবনে আবু কুহাফাহ এবং ইবনে খাত্তাব-এর পক্ষ থেকে কেউ জবাব দিক যে, তারা আমার পুত্রকে কেন বখিল বানাতে চায়?”
✦আরও পড়ুন

খিলাফতের ইতিহাস
কুরআনের সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ
আব্বাসীয় খলীফা মামূনুর রশীদের দরবারে মাঝে মাঝে শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হত। এতে তৎকালীন বিভিন্ন বিষয়ে বিদগ্ধ পন্ডিতগণ…

খিলাফতের ইতিহাস
গর্ব করার মত এক ইতিহাস!!
ওসমানীয় খেলাফত চলছে তখন, ১৮৪৫ সাল। খলিফা আব্দুল মাজিদ ইস্তাম্বুলের মসনদে। এসময়ে এসেও ইউরোপের অবস্থা খুব একটা সুবিধার ছিলনা, বিভিন্ন আর্থিক-সামাজিক…

খিলাফতের ইতিহাস
হযরত ওমরের চুমু!
হযরত ওমরের শাসন চলছে। শুরু হয়েছে রোম সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যুদ্ধে বন্দি হয়েছেন অনেক মুসলিম সৈনিক। সঙ্গে বন্দি একজন সাহাবিও। রাসূল (সাঃ) - এর…