মুনাফিক সর্দারের ঈমানদার পুত্র
১ মিনিটে পড়ুন১৩ জুন ২০২০

বনি মুসতালিকের যুদ্ধ শেষ।
মহানবী (সাঃ)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী মদীনায় ফিরছে।
কি এক ঘটনায় একজন মুহাজিরের সাথে একজন আনসারের বিরোধ বাধল।
বলা হলো, একজন মুহাজির লাথি মেরেছে একজন আনসারকে।
এ নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষের মধ্যে একটা শোরগোল সৃষ্টি হলো।
মহানবী (সাঃ)-এর কানে এলো বিষয়টা। তিনি তাদের ডেকে বললেন, ‘এ তো জাহেলী যুগের আওয়াজের মত শোনাচ্ছে। এসব অশোভন কথাবার্তা পরিত্যাগ কর।’
বিষয়টা এখানেই মিটে গেল।
মুসলিম বাহিনীর সাথে অবস্থানরত মুনাফিক সর্দার আবদুল্লাহ বিন উবাই-এর কানেও গেল উক্ত ঘটনাটি।
মুহাজির ও আনসার মুসলামানদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির একটা বড় সুযোগ বলে একে সে মনে করল। সে নেচে উঠল। বলল, কি! একজন মুহাজির এই কাজ করেছে? ঠিক আছে মদীনায় একবার পৌঁছতে দাও।
সম্মানী লোকেরা (মদীনাবাসী) নীচু সম্প্রদায়ের (মক্কাবাসী) লোকদের মদীনা থেকে বের করে দেবে।’
উমর (রাঃ)- রাসূল (সাঃ) এর কাছে গিয়ে আরজ করলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি অনুমতি দিলে এই মুনাফিকের গর্দান উড়িয়ে দিতে পারি।”
মহানবী (সাঃ) বললেন, ‘না। মানুষ বলবে যে, আমি নিজের লোকদের হত্যা করে থাকি।’
মহানবীর (সাঃ) কথায় উমর (রাঃ) চুপ করে গেলেন।
আবদুল্লাহ বিন উবাই-এর ছেলে কিন্তু চুপ করে থাকলেন না।
পিতার ঔদ্ধত্যে ক্রুদ্ধ আবদুল্লাহ (রাঃ) তার পিতাকে গিয়ে বললেন, “আল্লাহর কসম, আমি আপনাকে মদীনা প্রবেশ করতে দেব না, যে পর্যন্ত না আপনি নিজ মুখে সাক্ষ্য দেন যে, আপনি নীচ লোক, আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সম্মানিত।”
অবস্থা বেগতিক দেখে মুনাফিক সর্দার আবদুল্লাহ বিন উবাই পুত্র যেভাবে বলেছে সেইভাবে সাক্ষ্য দিল।
লেখকঃ আবুল আসাদ (আমরা সেই সে জাতি)
মহানবী (সাঃ)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী মদীনায় ফিরছে।
কি এক ঘটনায় একজন মুহাজিরের সাথে একজন আনসারের বিরোধ বাধল।
বলা হলো, একজন মুহাজির লাথি মেরেছে একজন আনসারকে।
এ নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষের মধ্যে একটা শোরগোল সৃষ্টি হলো।
মহানবী (সাঃ)-এর কানে এলো বিষয়টা। তিনি তাদের ডেকে বললেন, ‘এ তো জাহেলী যুগের আওয়াজের মত শোনাচ্ছে। এসব অশোভন কথাবার্তা পরিত্যাগ কর।’
বিষয়টা এখানেই মিটে গেল।
মুসলিম বাহিনীর সাথে অবস্থানরত মুনাফিক সর্দার আবদুল্লাহ বিন উবাই-এর কানেও গেল উক্ত ঘটনাটি।
মুহাজির ও আনসার মুসলামানদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির একটা বড় সুযোগ বলে একে সে মনে করল। সে নেচে উঠল। বলল, কি! একজন মুহাজির এই কাজ করেছে? ঠিক আছে মদীনায় একবার পৌঁছতে দাও।
সম্মানী লোকেরা (মদীনাবাসী) নীচু সম্প্রদায়ের (মক্কাবাসী) লোকদের মদীনা থেকে বের করে দেবে।’
উমর (রাঃ)- রাসূল (সাঃ) এর কাছে গিয়ে আরজ করলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি অনুমতি দিলে এই মুনাফিকের গর্দান উড়িয়ে দিতে পারি।”
মহানবী (সাঃ) বললেন, ‘না। মানুষ বলবে যে, আমি নিজের লোকদের হত্যা করে থাকি।’
মহানবীর (সাঃ) কথায় উমর (রাঃ) চুপ করে গেলেন।
আবদুল্লাহ বিন উবাই-এর ছেলে কিন্তু চুপ করে থাকলেন না।
পিতার ঔদ্ধত্যে ক্রুদ্ধ আবদুল্লাহ (রাঃ) তার পিতাকে গিয়ে বললেন, “আল্লাহর কসম, আমি আপনাকে মদীনা প্রবেশ করতে দেব না, যে পর্যন্ত না আপনি নিজ মুখে সাক্ষ্য দেন যে, আপনি নীচ লোক, আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সম্মানিত।”
অবস্থা বেগতিক দেখে মুনাফিক সর্দার আবদুল্লাহ বিন উবাই পুত্র যেভাবে বলেছে সেইভাবে সাক্ষ্য দিল।
লেখকঃ আবুল আসাদ (আমরা সেই সে জাতি)
✦আরও পড়ুন

খিলাফতের ইতিহাস
কুরআনের সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ
আব্বাসীয় খলীফা মামূনুর রশীদের দরবারে মাঝে মাঝে শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হত। এতে তৎকালীন বিভিন্ন বিষয়ে বিদগ্ধ পন্ডিতগণ…

খিলাফতের ইতিহাস
গর্ব করার মত এক ইতিহাস!!
ওসমানীয় খেলাফত চলছে তখন, ১৮৪৫ সাল। খলিফা আব্দুল মাজিদ ইস্তাম্বুলের মসনদে। এসময়ে এসেও ইউরোপের অবস্থা খুব একটা সুবিধার ছিলনা, বিভিন্ন আর্থিক-সামাজিক…

খিলাফতের ইতিহাস
হযরত ওমরের চুমু!
হযরত ওমরের শাসন চলছে। শুরু হয়েছে রোম সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। যুদ্ধে বন্দি হয়েছেন অনেক মুসলিম সৈনিক। সঙ্গে বন্দি একজন সাহাবিও। রাসূল (সাঃ) - এর…