Looking for ভালোবাসা
৫ মিনিটে পড়ুন১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২

Looking for ভালোবাসা
তারুণ্য বড় অস্থির উন্মাদনায় পরিপূর্ণ একটি স্তর। কবি থেকে রাজনীতিবিদ সবাই কেবল তারুণ্যকে নিয়েই স্বপ্ন দেখেন। এই তারুণ্য এমন একটি সময় যার অপেক্ষায় থাকে কিশোররা আর বৃদ্ধরা আক্ষেপ করে বলে, ‘ইস! যদি আবার যদি তরুণ হতাম। কিন্তু এই আকাক্ষিত তারুণ্যের কাঙ্ক্ষিত কর্ম নিয়েই দ্বিধায় থাকে আজকের new generation । কোথায়, কখন, কী করবে ভেবে যখন অস্থিরতায় উদ্বিগ্ন তখন মুভিতে দেখে গান হচ্ছে ‘এখন তো সময় ভালোবাসার, এ দুটি হৃদয় কাছে আসার’। এসব গান ঠিক করে দেয় তার তারুণ্যের কর্ম, জীবনের উদ্দেশ্য। ভেবে নেয় Looking for ভালোবাসা তার জীবনের objective । কীভাবে দিল কাউকে দেয়া যায়, তার planning নিয়ে তারা ক্লাস করে, খায়, ঘুমায়। তাদের সহায়তায় MTV, B4U, ZEE-MUSIC সর্বক্ষণ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কীভাবে একটি মেয়েকে বা ছেলেকে রাজি করানো যায়। পাণিপ্রার্থী তরুণেরা নিয়মিত আলোচনা করে অভিজ্ঞ বন্ধুদের সাথে যারা already engaged । কিছু নিয়ম system জেনে মাঠে নেমে পড়ার উদ্দেশ্য একটাই -রূপসী তোমার প্রেমের খোঁজে। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা messanger- এ চ্যাট করে ৫০ বছর বয়সী বৃদ্ধার সাথে তার আর মিষ্টি লেখা দেখে ভাবে এইতো বুঝি পটে গেল আঠারো বছরের তরুণী ।
কেউ কেউ এতোটা technology based না হয়ে নিজেকেই ডিজিটাল করে তোলে। স্পাইক চুল, muscle দেখানো bv t-shirt আর রং-চটা জিন্স পরে live প্রেমিকা খোঁজাকেই শ্রেয় মনে করে। এরপর যাকে দেখে তাকেই মনে হয় - হাজার বছর তোমার আমার ছিল পরিচয়। মেয়ে দেখলেই কলার ঝাড়া দিয়ে চুল ঠিক করে বন্ধুদের বলে ‘দেখ, তোর ভাবী যায়’। আর বেশি ভালো লাগলে উচ্চকণ্ঠে গায় -আশিক বানায়া, আশিক বানায়া। চিরুনি খোঁজার মতো খুঁজে কাউকে দেখে হয়তো মনে হলো মন শুধু মন ছুয়েছে।
এবার অপেক্ষা, কীভাবে তাকে বলা যায় I am in love।
২০/২৫ বছর আগে তেমন মাধ্যম ছিল না কাউকে মনের কথা জানানোর। আর আজ রয়েছে internet, chat, mobile, voice mail, sms, mms, e-mail । এইসব তরুণ প্রযুক্তির আশীর্বাদে বাবার কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে মোবাইল কল করে বা sms -এ জানায়, ‘তোমাকে লেগেছে এত যে ভালো’। অনেকে first impression is best impression ভেবে, বুকে অনেক সাহস নিয়ে, এক জগ পানি খেয়ে, বন্ধুদের দোয়া নিয়ে, এমনকি নফল রোজা রেখে পছন্দের কন্যাকে live offer করে। আর এই প্রস্তাবের জন্য দিন বেছে নেয় valentine’s day । সেদিন লাল গোলাপ কাউকে দিলেই কাহিনী নাকি mega serial-এ গড়ায়। গবেষণায় নাকি দেখা গেছে, এদিনের offer সবচেয়ে বেশি সম্পর্কের সৃষ্টি করে। তাই এদিনে থাকে লাল গোলাপের চরম সঙ্কট। কেউ কিছু না পেলে কেমন যেন খালি খালি লাগে, আর ভাবে, ‘ইস! আমি একা, বড় একা, আমার আপন কেউ নেই পৃথিবীতে’।
কিন্তু বিপত্তি ঘটে বিপরীত দিক থেকে। কারণ যে কন্যাকে offer করা হচ্ছে সে লাক্সের ছোঁয়ায় স্টার হয়ে যেতে চায়। আয়েশ করতে চায় Aishwarya-র মতো, হতে চায় Close up one বা রূপসী গুণবতী। ছুটে যেতে চায় ATN Bangla-য় ফটোজনিক সুন্দরী অথবা fantasy kingdom-এর beauty hunt প্রতিযোগিতায়। গ্রামীণফোন-এর beauty tips-এ sms করে জেনে নেয় আজ কোন্ কোন্ সবজি না খেয়ে ত্বকে লাগাবে। এই দৌড়াদৌড়ি আর সবজি কাটাকাটিতে সময় কোথায় প্রেম করার! তাই ফিরিয়ে দেয় অপেক্ষারত তরুণকে।
হতাশ তরুণ আশ্রয় নেয় music-এর। কারণ music is the best medicine for broken heart । যে ছেলে বা মেয়ে প্রথমে বলতো প্রেম কতো মধুর, এখন তার কণ্ঠে অবিরত শোনা যায়, ‘পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই, কিছু নেই’। কিন্তু এই তরুণেরা কি কখনো ভেবে দেখেছে এই প্রেম affair-এর উন্মাদনা তাদেরকে কীভাবে বিমোহিত করছে, কারা সম্মোহিত করছে?
প্রকৃতপক্ষে এই ব্যর্থ হতাশ, দ্বিধান্নিত তরুণদের জীবনের উদ্দেশ্য ঠিক করে দেয় কিছু মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, TV CHANNEL আর music company গুলো। এসব কোম্পানি আজ তরুণদের নিশাচর করে ফেলেছে, কিনে নিয়েছে তাদের ঘুম, বিশ্রাম, স্বপ্নকে। তারাই বলে দিচ্ছে আজকে আমার dress up কী হবে, আগামীকাল আমার পছন্দ, আমার অভিপ্রায়, আমার উদ্দেশ্য সব তাদেরই নিয়ন্ত্রণে। শুধুমাত্র girl friend বা boy friend-এর সাথে কথা বলার জন্য আমাকে প্রতিনিয়ত ছুটতে হয় একটি সেলফোন কোম্পানির কাছে। আর নিজেকে আয়নায় দেখি ভাবি “What a cool guy I am!”| আজ আমাদের কেন্দ্র ব্যবসা করছে Archies, Hallmarks, Cadbury company গুলো। তারা প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছে Mother’s Day, Father’s Day, Friendship Day এবং সর্বোপরি Valentine Day নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের চকোলেট উৎপাদক এসোসিয়েশনের মতে, Valentine Day-তে ৩ কোটি ৬০ লাখ চকোলেট বিক্রি হয়। আর এই দিনে যেহেতু চলে চকোলেট উপহার দেবার অলিখিত প্রতিযোগিতা তাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যান্ডি কিনতে প্রতিবছর ব্যয় করে জনগণ ১১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ব্যর্থ তরুণদের হৃদয়কে প্রশান্তি আর শোককে স্তিমিত করার জন্য রয়েছে সংগীতা, সাউন্ডটেক, গীতাঞ্জলি বা ‘ঝালাক দিখ্লা যা’ টাইপের হিন্দি রিমি· গানগুলো।
মুসলিম তরুণদের এভাবে আধুনিকতা ও প্রগতিশীলতার নামে fool বানিয়ে এসব কোম্পানি আমাদের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু একজন মুসলিম তরুণ যে উমর (রা), মুস্আব ইবনে উমায়ের (রা)-এর বংশধর, সে কীভাবে একটি কোম্পানির খেলার পুতুল হতে পারে! যারা আল্লাহকে অপমান করে, কোরআনকে লাঞ্ছিত করে, রাসূলুল্লাহ (সা)-কে সন্ত্রাসী বলে, তাদের এই অপসংস্কৃতি এর প্রতি আমাদের এত মোহ কেন? যারা মক্কা ও মদিনাকে বোমা মেরে ধ্বংস করে দিতে চায় তাদের চিন্তা, চেতনা, মূল্যবোধের প্রতি এত ভালোবাসা কেন? আমরা কি ভুলে গেছি আমরা কোথা থেকে এসেছি? কোথায় যাচ্ছি? কেন এসেছি? আমরা কি ভুলে গেছি আমাদের পরিচয়ের কথা? এটি এমন এক পরিচয় যা বলে দেয় আমি হিন্দু না, খ্রিস্টান নাকি হিন্দু। আমি মুসলিম, শুধুমাত্র মুসলিম। আর হাশরের দিনে একমাত্র মুসলিম পরিচয় ও আমলই আল্লাহর নিকট গ্রহণীয় হবে। তাই আসুন, আমরা আবার সেই উদ্দেশ্য গ্রহণ করি, যেজন্য আল্লাহ আমাদের পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, আবার সেই জীবন ধারণ করি যেভাবে সাহাবরা অতিবাহিত করেছেন।
আল্লাহ (সুব) বলেছেন, আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমারই ইবাদত করার জন্য (সূরা জারিয়াত : ৫৬)
রাসূলুল্লাহ (সা)-এর এক হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি, সাত ধরনের লোককে আল্লাহ হাশরের দিনে তার রহমতের ছায়ার মধ্যে রাখবেন। তার মধ্যে একজন হচ্ছে সেই ব্যক্তি যাকে কোন নারী অবৈধ সম্পর্কের দিকে আহবান করে এবং সে প্রত্যুত্তরে বলে, আমি আল্লাহর আযাবকে ভয় পাই।”(বুখারি: ৬৬০)
আমরা কি চাইব না সেই আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত যুবকের মতো হতে?
ইসলাম হচ্ছে সবচেয়ে আধুনিক জীবন ব্যবস্থা যা জীবনের সকল সমস্যার সমাধান করে । আসুন আমরা নিজেরা ইসলাম অনুযায়ী চলি এবং মানুষকে ইসলাম অনুযায়ী চলার জন্য আহবান করি এবং মুস্আব ইবনে উমায়ের (রা)-এর মতো স্মার্ট যুবকে পরিনত হই।
তারুণ্য বড় অস্থির উন্মাদনায় পরিপূর্ণ একটি স্তর। কবি থেকে রাজনীতিবিদ সবাই কেবল তারুণ্যকে নিয়েই স্বপ্ন দেখেন। এই তারুণ্য এমন একটি সময় যার অপেক্ষায় থাকে কিশোররা আর বৃদ্ধরা আক্ষেপ করে বলে, ‘ইস! যদি আবার যদি তরুণ হতাম। কিন্তু এই আকাক্ষিত তারুণ্যের কাঙ্ক্ষিত কর্ম নিয়েই দ্বিধায় থাকে আজকের new generation । কোথায়, কখন, কী করবে ভেবে যখন অস্থিরতায় উদ্বিগ্ন তখন মুভিতে দেখে গান হচ্ছে ‘এখন তো সময় ভালোবাসার, এ দুটি হৃদয় কাছে আসার’। এসব গান ঠিক করে দেয় তার তারুণ্যের কর্ম, জীবনের উদ্দেশ্য। ভেবে নেয় Looking for ভালোবাসা তার জীবনের objective । কীভাবে দিল কাউকে দেয়া যায়, তার planning নিয়ে তারা ক্লাস করে, খায়, ঘুমায়। তাদের সহায়তায় MTV, B4U, ZEE-MUSIC সর্বক্ষণ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কীভাবে একটি মেয়েকে বা ছেলেকে রাজি করানো যায়। পাণিপ্রার্থী তরুণেরা নিয়মিত আলোচনা করে অভিজ্ঞ বন্ধুদের সাথে যারা already engaged । কিছু নিয়ম system জেনে মাঠে নেমে পড়ার উদ্দেশ্য একটাই -রূপসী তোমার প্রেমের খোঁজে। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা messanger- এ চ্যাট করে ৫০ বছর বয়সী বৃদ্ধার সাথে তার আর মিষ্টি লেখা দেখে ভাবে এইতো বুঝি পটে গেল আঠারো বছরের তরুণী ।
কেউ কেউ এতোটা technology based না হয়ে নিজেকেই ডিজিটাল করে তোলে। স্পাইক চুল, muscle দেখানো bv t-shirt আর রং-চটা জিন্স পরে live প্রেমিকা খোঁজাকেই শ্রেয় মনে করে। এরপর যাকে দেখে তাকেই মনে হয় - হাজার বছর তোমার আমার ছিল পরিচয়। মেয়ে দেখলেই কলার ঝাড়া দিয়ে চুল ঠিক করে বন্ধুদের বলে ‘দেখ, তোর ভাবী যায়’। আর বেশি ভালো লাগলে উচ্চকণ্ঠে গায় -আশিক বানায়া, আশিক বানায়া। চিরুনি খোঁজার মতো খুঁজে কাউকে দেখে হয়তো মনে হলো মন শুধু মন ছুয়েছে।
এবার অপেক্ষা, কীভাবে তাকে বলা যায় I am in love।
২০/২৫ বছর আগে তেমন মাধ্যম ছিল না কাউকে মনের কথা জানানোর। আর আজ রয়েছে internet, chat, mobile, voice mail, sms, mms, e-mail । এইসব তরুণ প্রযুক্তির আশীর্বাদে বাবার কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে মোবাইল কল করে বা sms -এ জানায়, ‘তোমাকে লেগেছে এত যে ভালো’। অনেকে first impression is best impression ভেবে, বুকে অনেক সাহস নিয়ে, এক জগ পানি খেয়ে, বন্ধুদের দোয়া নিয়ে, এমনকি নফল রোজা রেখে পছন্দের কন্যাকে live offer করে। আর এই প্রস্তাবের জন্য দিন বেছে নেয় valentine’s day । সেদিন লাল গোলাপ কাউকে দিলেই কাহিনী নাকি mega serial-এ গড়ায়। গবেষণায় নাকি দেখা গেছে, এদিনের offer সবচেয়ে বেশি সম্পর্কের সৃষ্টি করে। তাই এদিনে থাকে লাল গোলাপের চরম সঙ্কট। কেউ কিছু না পেলে কেমন যেন খালি খালি লাগে, আর ভাবে, ‘ইস! আমি একা, বড় একা, আমার আপন কেউ নেই পৃথিবীতে’।
কিন্তু বিপত্তি ঘটে বিপরীত দিক থেকে। কারণ যে কন্যাকে offer করা হচ্ছে সে লাক্সের ছোঁয়ায় স্টার হয়ে যেতে চায়। আয়েশ করতে চায় Aishwarya-র মতো, হতে চায় Close up one বা রূপসী গুণবতী। ছুটে যেতে চায় ATN Bangla-য় ফটোজনিক সুন্দরী অথবা fantasy kingdom-এর beauty hunt প্রতিযোগিতায়। গ্রামীণফোন-এর beauty tips-এ sms করে জেনে নেয় আজ কোন্ কোন্ সবজি না খেয়ে ত্বকে লাগাবে। এই দৌড়াদৌড়ি আর সবজি কাটাকাটিতে সময় কোথায় প্রেম করার! তাই ফিরিয়ে দেয় অপেক্ষারত তরুণকে।
হতাশ তরুণ আশ্রয় নেয় music-এর। কারণ music is the best medicine for broken heart । যে ছেলে বা মেয়ে প্রথমে বলতো প্রেম কতো মধুর, এখন তার কণ্ঠে অবিরত শোনা যায়, ‘পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই, কিছু নেই’। কিন্তু এই তরুণেরা কি কখনো ভেবে দেখেছে এই প্রেম affair-এর উন্মাদনা তাদেরকে কীভাবে বিমোহিত করছে, কারা সম্মোহিত করছে?
প্রকৃতপক্ষে এই ব্যর্থ হতাশ, দ্বিধান্নিত তরুণদের জীবনের উদ্দেশ্য ঠিক করে দেয় কিছু মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, TV CHANNEL আর music company গুলো। এসব কোম্পানি আজ তরুণদের নিশাচর করে ফেলেছে, কিনে নিয়েছে তাদের ঘুম, বিশ্রাম, স্বপ্নকে। তারাই বলে দিচ্ছে আজকে আমার dress up কী হবে, আগামীকাল আমার পছন্দ, আমার অভিপ্রায়, আমার উদ্দেশ্য সব তাদেরই নিয়ন্ত্রণে। শুধুমাত্র girl friend বা boy friend-এর সাথে কথা বলার জন্য আমাকে প্রতিনিয়ত ছুটতে হয় একটি সেলফোন কোম্পানির কাছে। আর নিজেকে আয়নায় দেখি ভাবি “What a cool guy I am!”| আজ আমাদের কেন্দ্র ব্যবসা করছে Archies, Hallmarks, Cadbury company গুলো। তারা প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছে Mother’s Day, Father’s Day, Friendship Day এবং সর্বোপরি Valentine Day নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের চকোলেট উৎপাদক এসোসিয়েশনের মতে, Valentine Day-তে ৩ কোটি ৬০ লাখ চকোলেট বিক্রি হয়। আর এই দিনে যেহেতু চলে চকোলেট উপহার দেবার অলিখিত প্রতিযোগিতা তাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যান্ডি কিনতে প্রতিবছর ব্যয় করে জনগণ ১১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ব্যর্থ তরুণদের হৃদয়কে প্রশান্তি আর শোককে স্তিমিত করার জন্য রয়েছে সংগীতা, সাউন্ডটেক, গীতাঞ্জলি বা ‘ঝালাক দিখ্লা যা’ টাইপের হিন্দি রিমি· গানগুলো।
মুসলিম তরুণদের এভাবে আধুনিকতা ও প্রগতিশীলতার নামে fool বানিয়ে এসব কোম্পানি আমাদের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু একজন মুসলিম তরুণ যে উমর (রা), মুস্আব ইবনে উমায়ের (রা)-এর বংশধর, সে কীভাবে একটি কোম্পানির খেলার পুতুল হতে পারে! যারা আল্লাহকে অপমান করে, কোরআনকে লাঞ্ছিত করে, রাসূলুল্লাহ (সা)-কে সন্ত্রাসী বলে, তাদের এই অপসংস্কৃতি এর প্রতি আমাদের এত মোহ কেন? যারা মক্কা ও মদিনাকে বোমা মেরে ধ্বংস করে দিতে চায় তাদের চিন্তা, চেতনা, মূল্যবোধের প্রতি এত ভালোবাসা কেন? আমরা কি ভুলে গেছি আমরা কোথা থেকে এসেছি? কোথায় যাচ্ছি? কেন এসেছি? আমরা কি ভুলে গেছি আমাদের পরিচয়ের কথা? এটি এমন এক পরিচয় যা বলে দেয় আমি হিন্দু না, খ্রিস্টান নাকি হিন্দু। আমি মুসলিম, শুধুমাত্র মুসলিম। আর হাশরের দিনে একমাত্র মুসলিম পরিচয় ও আমলই আল্লাহর নিকট গ্রহণীয় হবে। তাই আসুন, আমরা আবার সেই উদ্দেশ্য গ্রহণ করি, যেজন্য আল্লাহ আমাদের পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, আবার সেই জীবন ধারণ করি যেভাবে সাহাবরা অতিবাহিত করেছেন।
আল্লাহ (সুব) বলেছেন, আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমারই ইবাদত করার জন্য (সূরা জারিয়াত : ৫৬)
রাসূলুল্লাহ (সা)-এর এক হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি, সাত ধরনের লোককে আল্লাহ হাশরের দিনে তার রহমতের ছায়ার মধ্যে রাখবেন। তার মধ্যে একজন হচ্ছে সেই ব্যক্তি যাকে কোন নারী অবৈধ সম্পর্কের দিকে আহবান করে এবং সে প্রত্যুত্তরে বলে, আমি আল্লাহর আযাবকে ভয় পাই।”(বুখারি: ৬৬০)
আমরা কি চাইব না সেই আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত যুবকের মতো হতে?
ইসলাম হচ্ছে সবচেয়ে আধুনিক জীবন ব্যবস্থা যা জীবনের সকল সমস্যার সমাধান করে । আসুন আমরা নিজেরা ইসলাম অনুযায়ী চলি এবং মানুষকে ইসলাম অনুযায়ী চলার জন্য আহবান করি এবং মুস্আব ইবনে উমায়ের (রা)-এর মতো স্মার্ট যুবকে পরিনত হই।
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…