সমাবেশ / মিছিল করা একটি সুন্নাহ
৪ মিনিটে পড়ুন১২ আগস্ট ২০২১

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল, “আর তুমি সতর্ক কর তোমার নিকটাত্মীয় স্বজনদের।[সুরা আশ-শু‘আরা ২১৪]” তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাফা (পর্বতে) আরোহণ করলেন এবং আহ্বান জানালেন, হে বানী ফিহ্র! হে বানী আদী! কুরাইশদের বিভিন্ন গোত্রকে। অবশেষে তারা জমায়েত হল। যে নিজে আসতে পারল না, সে তার প্রতিনিধি পাঠাল, যাতে দেখতে পায়, ব্যাপার কী? সেখানে আবূ লাহাব ও কুরাইশগণও আসল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, বল তো, আমি যদি তোমাদের বলি যে, শত্র“সৈন্য উপত্যকায় চলে এসেছে, তারা তোমাদের উপর হঠাৎ আক্রমণ করতে প্রস্তুত, তোমরা কি আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা বলল, হাঁ আমরা আপনাকে সর্বদা সত্য পেয়েছি। তখন তিনি বললেন, “আমি তোমাদেরকে কঠিন শাস্তির ভয় প্রদর্শন করছি।” আবূ লাহাব [রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে] বলল, সারাদিন তোমার উপর ধ্বংস নামুক! এজন্যই কি তুমি আমাদের জমায়েত করেছ? [সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৪৭৭০, মুসলিম]
ইবনে আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত যে তিনি ‘উমর (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তাকে আল ফারুক (যে সত্যকে মিথ্যা থেকে পৃথক করে) উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি (রাঃ) জবাব দিলেন: আমি ইসলাম গ্রহণ করার পরে আমি নবী করীম (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম: ‘আমরা কি এখানে ও আখিরাতের সঠিক পথে নেই?’ নবী (সাঃ) জবাব দিয়েছিলেন: ‘অবশ্যই! আমি যার হাতে আমার প্রাণ, আল্লাহ তায়ালার শপথ করে বলছি যে তুমি এ পৃথিবীতে এবং আখেরাতে ঠিক পথেই রয়েছ। ’আমি নবী করীম (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম‘তাহলে আমাদের কেন গোপনীয় তৎপরতা চালাচ্ছি। আমি আল্লাহ তায়ালার কসম করে বলছি, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন, আমরা আমাদের গোপনীয়তা ছেড়ে দেব এবং আমাদের মহৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে ঘোষণা করব। ’আমরা তখন দুটি দলে বের হলাম, হামজাহ একটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং আমি আরেকটির। আমরা দিবালোকের সময় মসজিদে রওনা হলাম যখন কুরাইশ মুশরিকরা আমাদের দেখল, তাদের চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল এবং অবিশ্বাস্যভাবে হতাশাগ্রস্থ ও বিরক্তিতে ভরা ছিল। ঠিক সেই উপলক্ষেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে আল ফারুকের উপাধি সংযুক্ত করেছিলেন। ইবনে মাসউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, তারা (মুসলিমরা) পবিত্র কাবা শরীফের এখানে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে সক্ষম হয় নি কেবলমাত্র ‘উমর ইসলাম গ্রহণের সময় ব্যতীত। [আর-রাহীক আল-মাখতুম-পৃষ্ঠা ৮৮ (রেফারেন্স নিয়েছেন ইবনে হিশামের, তারীখ 'উমর ইবনুল খাত্তাব, পৃষ্ঠা ১৩৩; মুখতাসার আস-সীরাহ পৃ . ১০৩ হতে)]
এটা একটা বিক্ষোভ মিছিল ছিল। রাসূলুল্লাহ (সা:) এবং সাহাবীরা সমাবেশ ও মিছিল করেছিলেন।
ইতিহাস জুড়ে ইসলামের মহৎ আলেমদের দিকে নজর দিলে আমরা দেখি যে,
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রঃ) আব্বাসীয় খলিফা আল- মামুনকে জবাবদিহিতার সম্মুখীন করেছিলেন এবং খলিফা মামুন ইমাম আহমেদকে অন্যায়ভাবে বিচার করার সময় উনার হাজার হাজার ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী উনাকে ছাড়ানোর জন্য এবং উনার প্রতি ভালোবাসার সরূপ হিসেবে প্রাসাদের সামনে বিক্ষোভ করেছিল।
ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ মামলুক সুলতান আল- নাসিরকে জবাবদিহিতার সম্মুখীন করেছিলেন ।
হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ নামে একজন অত্যাচারী ওয়ালি (গভর্নর) একটি বড় প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন এবং সমস্ত লোককে এটি প্রত্যক্ষ করার জন্য ডেকেছিলেন। তখন ইমাম হাসান আল বসরি (রঃ) বসরায় উপস্থিত ছিলেন। হাসান আল-বসরী জানতেন যে এই জীবনে জনগণকে সম্পদ ও মর্যাদার সত্যিকারের জায়গা সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এক দুর্দান্ত সুযোগ এটি। তিনি বলেছিলেন: “আমরা দেখছি সবচেয়ে নোংরা একটি নির্মাণ এবং আমরা দেখতে পেয়েছি যে ফেরাউন তার চেয়েও বেশি বড় নির্মাণ করেছিলেন, তখন আল্লাহ ফেরাউনকে এবং তিনি যা নির্মাণ করেছিলেন তা ধ্বংস করেছেন। হাজ্জাজের জানা উচিত যে আকাশের বাসিন্দারা তাকে ঘৃণা করে এবং পৃথিবীর মানুষ কেবল তার সাথে প্রতারণা করে! ” হাসান আল-বসরীকে বলা হয়েছিল "সাবধান থাকুন, আবু সাদ!" হাসান আল-বসরী জবাব দিলেন, "আল্লাহ তা'আলা জ্ঞানী লোকদের কাছ থেকে মানুষের কাছে তা বোঝাতে চুক্তি করেছেন, নীরব থাকার জন্য নয়!" এই উদাহরণে, হাসান আল-বসরী (রঃ) প্রকাশ্যভাবে শাসকের বাড়াবাড়ির জবাবদিহিতা করেছিলেন। (সুয়ার মিন হায়াত আত-তাবি'ইন, ‘আবদুর রহমান রাঃফাত বাশা পৃষ্ঠা ১০১-১০২)
ইমাম ইবন কাইয়িম আল জাউজিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন,শয়তান নামাজ, রোজার মতো কিছু উপাসনার কাজকে সুশোভিত করে বেশিরভাগ লোককে বিভ্রান্ত করে, যখন মানুষ সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ নির্মূল করার মতো অন্যান্য বাধ্যতামূলক ইবাদতকে অবহেলা করে। এমনকি তারা এমন ইবাদত করার ইচ্ছাও করে না, যেখানে তারা তা করতে সক্ষম। এ জাতীয় লোকেরা ধর্মের মাপের তলদেশে অবস্থিত। আল্লাহ আমাদের যা আদেশ করেছেন তা আমাদের পালন করতে হবে। ওই ব্যক্তি যে তার ইবাদত পালন করে না সে আসলে গোনাহ্গারের চেয়ে ও খারাপ। আল্লাহর প্রত্যাদেশ, নবীর নির্দেশনা এবং সাহাবায়ে কেরামের জীবন সম্পর্কে যে কেউ জ্ঞান রাখেন তারা দেখতে পাবে যে আজকে যারা সবচেয়ে ধার্মিক লোক হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে তারা আসলে সবচেয়ে কম ধার্মিক ... [ইবন কাইয়িম আল জাউজিয়া (রাহিমুল্লাহ), বই: আলাম আল-মুওয়াকিয়াইন খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৭৬]
তাই সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ফরজ এবং এর অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
ইবনে আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত যে তিনি ‘উমর (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তাকে আল ফারুক (যে সত্যকে মিথ্যা থেকে পৃথক করে) উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি (রাঃ) জবাব দিলেন: আমি ইসলাম গ্রহণ করার পরে আমি নবী করীম (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম: ‘আমরা কি এখানে ও আখিরাতের সঠিক পথে নেই?’ নবী (সাঃ) জবাব দিয়েছিলেন: ‘অবশ্যই! আমি যার হাতে আমার প্রাণ, আল্লাহ তায়ালার শপথ করে বলছি যে তুমি এ পৃথিবীতে এবং আখেরাতে ঠিক পথেই রয়েছ। ’আমি নবী করীম (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম‘তাহলে আমাদের কেন গোপনীয় তৎপরতা চালাচ্ছি। আমি আল্লাহ তায়ালার কসম করে বলছি, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন, আমরা আমাদের গোপনীয়তা ছেড়ে দেব এবং আমাদের মহৎ উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে ঘোষণা করব। ’আমরা তখন দুটি দলে বের হলাম, হামজাহ একটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং আমি আরেকটির। আমরা দিবালোকের সময় মসজিদে রওনা হলাম যখন কুরাইশ মুশরিকরা আমাদের দেখল, তাদের চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল এবং অবিশ্বাস্যভাবে হতাশাগ্রস্থ ও বিরক্তিতে ভরা ছিল। ঠিক সেই উপলক্ষেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে আল ফারুকের উপাধি সংযুক্ত করেছিলেন। ইবনে মাসউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, তারা (মুসলিমরা) পবিত্র কাবা শরীফের এখানে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে সক্ষম হয় নি কেবলমাত্র ‘উমর ইসলাম গ্রহণের সময় ব্যতীত। [আর-রাহীক আল-মাখতুম-পৃষ্ঠা ৮৮ (রেফারেন্স নিয়েছেন ইবনে হিশামের, তারীখ 'উমর ইবনুল খাত্তাব, পৃষ্ঠা ১৩৩; মুখতাসার আস-সীরাহ পৃ . ১০৩ হতে)]
এটা একটা বিক্ষোভ মিছিল ছিল। রাসূলুল্লাহ (সা:) এবং সাহাবীরা সমাবেশ ও মিছিল করেছিলেন।
ইতিহাস জুড়ে ইসলামের মহৎ আলেমদের দিকে নজর দিলে আমরা দেখি যে,
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রঃ) আব্বাসীয় খলিফা আল- মামুনকে জবাবদিহিতার সম্মুখীন করেছিলেন এবং খলিফা মামুন ইমাম আহমেদকে অন্যায়ভাবে বিচার করার সময় উনার হাজার হাজার ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী উনাকে ছাড়ানোর জন্য এবং উনার প্রতি ভালোবাসার সরূপ হিসেবে প্রাসাদের সামনে বিক্ষোভ করেছিল।
ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ মামলুক সুলতান আল- নাসিরকে জবাবদিহিতার সম্মুখীন করেছিলেন ।
হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ নামে একজন অত্যাচারী ওয়ালি (গভর্নর) একটি বড় প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন এবং সমস্ত লোককে এটি প্রত্যক্ষ করার জন্য ডেকেছিলেন। তখন ইমাম হাসান আল বসরি (রঃ) বসরায় উপস্থিত ছিলেন। হাসান আল-বসরী জানতেন যে এই জীবনে জনগণকে সম্পদ ও মর্যাদার সত্যিকারের জায়গা সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এক দুর্দান্ত সুযোগ এটি। তিনি বলেছিলেন: “আমরা দেখছি সবচেয়ে নোংরা একটি নির্মাণ এবং আমরা দেখতে পেয়েছি যে ফেরাউন তার চেয়েও বেশি বড় নির্মাণ করেছিলেন, তখন আল্লাহ ফেরাউনকে এবং তিনি যা নির্মাণ করেছিলেন তা ধ্বংস করেছেন। হাজ্জাজের জানা উচিত যে আকাশের বাসিন্দারা তাকে ঘৃণা করে এবং পৃথিবীর মানুষ কেবল তার সাথে প্রতারণা করে! ” হাসান আল-বসরীকে বলা হয়েছিল "সাবধান থাকুন, আবু সাদ!" হাসান আল-বসরী জবাব দিলেন, "আল্লাহ তা'আলা জ্ঞানী লোকদের কাছ থেকে মানুষের কাছে তা বোঝাতে চুক্তি করেছেন, নীরব থাকার জন্য নয়!" এই উদাহরণে, হাসান আল-বসরী (রঃ) প্রকাশ্যভাবে শাসকের বাড়াবাড়ির জবাবদিহিতা করেছিলেন। (সুয়ার মিন হায়াত আত-তাবি'ইন, ‘আবদুর রহমান রাঃফাত বাশা পৃষ্ঠা ১০১-১০২)
ইমাম ইবন কাইয়িম আল জাউজিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন,শয়তান নামাজ, রোজার মতো কিছু উপাসনার কাজকে সুশোভিত করে বেশিরভাগ লোককে বিভ্রান্ত করে, যখন মানুষ সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ নির্মূল করার মতো অন্যান্য বাধ্যতামূলক ইবাদতকে অবহেলা করে। এমনকি তারা এমন ইবাদত করার ইচ্ছাও করে না, যেখানে তারা তা করতে সক্ষম। এ জাতীয় লোকেরা ধর্মের মাপের তলদেশে অবস্থিত। আল্লাহ আমাদের যা আদেশ করেছেন তা আমাদের পালন করতে হবে। ওই ব্যক্তি যে তার ইবাদত পালন করে না সে আসলে গোনাহ্গারের চেয়ে ও খারাপ। আল্লাহর প্রত্যাদেশ, নবীর নির্দেশনা এবং সাহাবায়ে কেরামের জীবন সম্পর্কে যে কেউ জ্ঞান রাখেন তারা দেখতে পাবে যে আজকে যারা সবচেয়ে ধার্মিক লোক হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে তারা আসলে সবচেয়ে কম ধার্মিক ... [ইবন কাইয়িম আল জাউজিয়া (রাহিমুল্লাহ), বই: আলাম আল-মুওয়াকিয়াইন খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৭৬]
তাই সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ফরজ এবং এর অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…