বিবর্তনবাদ
৪ মিনিটে পড়ুন৭ আগস্ট ২০২১
নাস্তিকতাবাদীদের প্রথম ধাপ বিধাতাকে অস্বীকার করা। কই মানুষকেতো আল্লাহর হাতে সৃষ্টি হতে দেখা যায় না। বাবা মায়ের মাধ্যমেই প্রকৃতির অনেক নিয়মের মতই সন্তানের জন্ম হয়। ধর্ম বলে, আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেন তাঁর ইবাদাতের জন্য।
নাস্তিকতার শিক্ষা হলো প্রথম মানুষ বলতে কিছু নেই। প্রথম মানুষের আবির্ভাব বিশ্বাস করা বিধাতাকে বিশ্বাস করারই সমান। কিন্তু ধর্ম বলে, পৃথিবীর প্রথম মানুষযুগল হতে বর্তমানকার মানুষের আবির্ভাব হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে।
তাই কোন না কোনভাবে প্রথম মানুষের ধারনা থেকে বের হতে হবে। তারই গবেষনার ধারাবাহিকতায় এল বিবর্তনবাদের ধারনা। বিবর্তন হচ্ছে বিভিন্ন প্রানী এবং উদ্ভিদের শারীরিক অবস্থায় ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যাকারী তত্ত্ব। বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী পৃথিবীর সকল প্রানী এবং উদ্ভিদ একটা এক-কোষীয় মাইক্রোঅর্গানিজম থেকে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জিনের বংশানুক্রমিকভাবে পরিবর্তনের ফলে এসেছে।
ব্যাকটেরিয়া মূলতঃ এককোষী আণুবীক্ষণিক জীব। কোটি কোটি বছর আগে যে ‘ম্যাজিক ব্যাকটেরিয়া’ থেকে পুরো জীবজগতের বিবর্তন শুরু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই ‘বিশেষ ব্যাকটেরিয়া’-র অস্তিত্বের পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে কি? যদি থেকে থাকে তাহলে সেই নির্দিষ্ট একটি ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব ঠিক কীভাবে প্রমাণ করা হয়েছে? নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী কোনো কিছুর অস্তিত্বের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ না থাকা মানে সেটি যদি এমনি এমনি ‘কাল্পনিক’ হয়ে যায় তাহলে সেই ‘বিশেষ ব্যাকটেরিয়া’ কাল্পনিক হবে না কেন? আর কোনো তত্ত্বের শুরুই যদি হয় কাল্পনিক কিছু একটা দিয়ে তাহলে সেটিকে কি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, নাকি কাল্পনিক তত্ত্ব বলা হবে?
সেই ‘বিশেষ ব্যাকটেরিয়া’ থেকে ‘এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন’-এর মাধ্যমে কবে, কোথায়, কেন, কতদিনে ও কীভাবে পরের জীব বিবর্তিত হয়েছিল? এক সাথে একটি নাকি একাধিক জীব বিবর্তিত হয়েছিল? প্রথম ব্যাকটেরিয়া ও দ্বিতীয় জীবের মধ্যে কী কী পার্থক্য ছিল? দ্বিতীয় জীব দেখতে কেমন ছিল? মধ্যবর্তী ধাপগুলোই বা কেমন ছিল? দ্বিতীয় জীব বিবর্তিত হওয়ার পর প্রথম ব্যাকটেরিয়া বেঁচে ছিল নাকি মারা গিয়েছিল?
মানুষ-সহ বড় বড় প্রাণীর দেহে যে সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আছে, সেগুলোর কিছুই ব্যাকটেরিয়ার দেহে নেই। তাহলে অতিরিক্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো কীভাবে প্রাণীদের দেহে প্রজন্মের-পর-প্রজন্ম ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধাপে সংযোজিত (?) বা বিবর্তিত (?) হলো? কিছু কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় না থাকলে প্রাণীরা বাঁচতেই পারবে না আবার হৃৎপিণ্ড-বিহীন বা মাথা-বিহীন বা এমনকি হাত-পা-বিহীন মনুষ্য প্রজাতি বাস্তবে কখনোই ছিল না। এর মধ্যে আবার বিশাল উদ্ভিদজগতের বিবর্তন-ই বা হলো কোথা থেকে?
প্রথম ব্যাকটেরিয়ার দেহে যেহেতু কোনো হৃৎপিণ্ড ছিল না সেহেতু ঠিক কোন্ প্রাণীর দেহে সর্বপ্রথম হৃৎপিণ্ড সংযোজিত (?) বা বিবর্তিত (?) হওয়া শুরু করেছিল? একদম শুরুতেই হৃৎপিণ্ডটা কেমন ছিল? সেই হৃৎপিণ্ড প্রজন্মের-পর-প্রজন্ম ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধাপে কী করে বিবর্তিত হলো, যেখানে বর্তমান প্রাণীদের দেহে যে হৃৎপিণ্ড আছে সেটি পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় না থাকলে প্রাণীরা বাঁচতেই পারবে না?
প্রথম ব্যাকটেরিয়ার দেহে যেহেতু শুক্রাণু বা ডিম্বাণু বলে কিছুই ছিল না (বর্তমানেও নেই!) সেহেতু ঠিক কোন্ প্রাণী থেকে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু বিবর্তিত হওয়া শুরু করেছে, এবং কেন? একদম শুরুতেই শুক্রাণু ও ডিম্বাণু কেমন ছিল? পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় ছিল নাকি আংশিক অবস্থায় ছিল? পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় থাকলে হঠাৎ করে একটি প্রাণীর দেহে শুক্রাণু বা ডিম্বাণু এলো কোথা থেকে?
মানুষের পূর্বপুরুষ বানর-শিম্পাজী। মানুষকে বানরের সাথে তাই একই 'গন' এ স্থান দেয়া হয়েছে। তারপর এই বানরেরও উদ্ভব কোন একটা গোত্র থেকে। এভাবে পেছনে ফিরতে থাকলে দেখা যায় মাটিতে পাওয়া অ্যামিনো এসিড হলো প্রানের রহস্য। তবে এর শুরু আসলে কোথা থেকে তা কেউ কি বলতে পারেন? যার শুরু স্পষ্ট নয় তা সত্য অবশ্যই নয়।
গত ৪০০০ বছরে জঙ্গল থেকে কি কোন মানুষ সভ্য জগতে এসেছে? মানুষ যদি বানরেরই পরের সংস্করণ তবে তো মানুষের কোন পূর্বপুরুষ কোন বানরের পরিবারেই জন্মেছিল। তবে এখন কেন এ ধরনের খবর সি এন এন কিংবা বিবিসিতে আসে না যে, "এ বছর জঙ্গল থেকে আসা বিবর্তিত হওয়া মানুষের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর শুধুমাত্র আমেরিকাতেই এই সংখ্যা ১৫০০০। আর নতুন এই মনুষ্যগুলোর জন্য বাসস্থানের ব্যাবস্থা করতে সরকারের ১৫ কোটি ডলার খরচ করা হয়েছে। নয়া বিবর্তিত মানুষের জন্য আলাদা স্কুলের জন্য এবছর সরকার আলাদা ফান্ড গঠন করেছে। ইত্যাদি।"
ধরা যাক ৫০০০০ বছর আগে বানর থেকে মানুষ নামে এক বুদ্ধিমান প্রানীর বিবর্তন হয়েছে। তবে এতদিনেও কেন মানুষ থেকে অন্য কোন নতুন এবং আরো বুদ্ধিমান প্রানীর উদ্ভব হলোনা?
মানুষের খুলির মস্তিষ্ক ধারণক্ষমতা ১৪৫০ ঘন সেন্টিমিটার। আর বানর জাতীয় প্রানীর মস্তিষ্ক ধারণ ক্ষমতা ৩২৫ থেকে ৪৫০ ঘনসেন্টিমিটার। তাছাড়া মানুষ এবং বানরের পেলভিস (কোমরের হাড়) , মাথা এবং পায়ের হাড়ের পার্থক্য অনেক বিশাল। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এমন ফসিল আবিষ্কার করতে পারেননি যাতে বানরের মস্তিস্ক বৃদ্ধির চিহ্ন পাওয়া যায়।
বিগত কয়েক শতাব্দী ধরে সরীসৃপ থেকে পাখি বিবর্তিত হওয়ার আর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না কেন?
কোন্ গাছ থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধাপে ডালিম গাছ কিংবা আম গাছ কিংবা তাল গাছ বিবর্তিত হয়েছে?
মাছ জাতীয় জলজ প্রাণী থেকে- ধাপে ধাপে রিচার্ড ডকিন্সের মতো স্থলচর প্রাণীর বিবর্তন বেশি যৌক্তিক, নাকি আরেক জলজ প্রাণী মৎসকন্যার বিবর্তন বেশি যৌক্তিক?
মা-বাবার মিলন ব্যতীত মানুষের জন্ম না হলে স্রস্টা ব্যতীত সৃষ্টি কিভাবে সম্ভব? তাই নাস্তিকতা মানে কপটতা, ভন্ডামি।
নাস্তিকতার শিক্ষা হলো প্রথম মানুষ বলতে কিছু নেই। প্রথম মানুষের আবির্ভাব বিশ্বাস করা বিধাতাকে বিশ্বাস করারই সমান। কিন্তু ধর্ম বলে, পৃথিবীর প্রথম মানুষযুগল হতে বর্তমানকার মানুষের আবির্ভাব হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হচ্ছে।
তাই কোন না কোনভাবে প্রথম মানুষের ধারনা থেকে বের হতে হবে। তারই গবেষনার ধারাবাহিকতায় এল বিবর্তনবাদের ধারনা। বিবর্তন হচ্ছে বিভিন্ন প্রানী এবং উদ্ভিদের শারীরিক অবস্থায় ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যাকারী তত্ত্ব। বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী পৃথিবীর সকল প্রানী এবং উদ্ভিদ একটা এক-কোষীয় মাইক্রোঅর্গানিজম থেকে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জিনের বংশানুক্রমিকভাবে পরিবর্তনের ফলে এসেছে।
ব্যাকটেরিয়া মূলতঃ এককোষী আণুবীক্ষণিক জীব। কোটি কোটি বছর আগে যে ‘ম্যাজিক ব্যাকটেরিয়া’ থেকে পুরো জীবজগতের বিবর্তন শুরু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই ‘বিশেষ ব্যাকটেরিয়া’-র অস্তিত্বের পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে কি? যদি থেকে থাকে তাহলে সেই নির্দিষ্ট একটি ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব ঠিক কীভাবে প্রমাণ করা হয়েছে? নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী কোনো কিছুর অস্তিত্বের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ না থাকা মানে সেটি যদি এমনি এমনি ‘কাল্পনিক’ হয়ে যায় তাহলে সেই ‘বিশেষ ব্যাকটেরিয়া’ কাল্পনিক হবে না কেন? আর কোনো তত্ত্বের শুরুই যদি হয় কাল্পনিক কিছু একটা দিয়ে তাহলে সেটিকে কি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, নাকি কাল্পনিক তত্ত্ব বলা হবে?
সেই ‘বিশেষ ব্যাকটেরিয়া’ থেকে ‘এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন’-এর মাধ্যমে কবে, কোথায়, কেন, কতদিনে ও কীভাবে পরের জীব বিবর্তিত হয়েছিল? এক সাথে একটি নাকি একাধিক জীব বিবর্তিত হয়েছিল? প্রথম ব্যাকটেরিয়া ও দ্বিতীয় জীবের মধ্যে কী কী পার্থক্য ছিল? দ্বিতীয় জীব দেখতে কেমন ছিল? মধ্যবর্তী ধাপগুলোই বা কেমন ছিল? দ্বিতীয় জীব বিবর্তিত হওয়ার পর প্রথম ব্যাকটেরিয়া বেঁচে ছিল নাকি মারা গিয়েছিল?
মানুষ-সহ বড় বড় প্রাণীর দেহে যে সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আছে, সেগুলোর কিছুই ব্যাকটেরিয়ার দেহে নেই। তাহলে অতিরিক্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো কীভাবে প্রাণীদের দেহে প্রজন্মের-পর-প্রজন্ম ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধাপে সংযোজিত (?) বা বিবর্তিত (?) হলো? কিছু কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় না থাকলে প্রাণীরা বাঁচতেই পারবে না আবার হৃৎপিণ্ড-বিহীন বা মাথা-বিহীন বা এমনকি হাত-পা-বিহীন মনুষ্য প্রজাতি বাস্তবে কখনোই ছিল না। এর মধ্যে আবার বিশাল উদ্ভিদজগতের বিবর্তন-ই বা হলো কোথা থেকে?
প্রথম ব্যাকটেরিয়ার দেহে যেহেতু কোনো হৃৎপিণ্ড ছিল না সেহেতু ঠিক কোন্ প্রাণীর দেহে সর্বপ্রথম হৃৎপিণ্ড সংযোজিত (?) বা বিবর্তিত (?) হওয়া শুরু করেছিল? একদম শুরুতেই হৃৎপিণ্ডটা কেমন ছিল? সেই হৃৎপিণ্ড প্রজন্মের-পর-প্রজন্ম ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধাপে কী করে বিবর্তিত হলো, যেখানে বর্তমান প্রাণীদের দেহে যে হৃৎপিণ্ড আছে সেটি পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় না থাকলে প্রাণীরা বাঁচতেই পারবে না?
প্রথম ব্যাকটেরিয়ার দেহে যেহেতু শুক্রাণু বা ডিম্বাণু বলে কিছুই ছিল না (বর্তমানেও নেই!) সেহেতু ঠিক কোন্ প্রাণী থেকে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু বিবর্তিত হওয়া শুরু করেছে, এবং কেন? একদম শুরুতেই শুক্রাণু ও ডিম্বাণু কেমন ছিল? পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় ছিল নাকি আংশিক অবস্থায় ছিল? পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় থাকলে হঠাৎ করে একটি প্রাণীর দেহে শুক্রাণু বা ডিম্বাণু এলো কোথা থেকে?
মানুষের পূর্বপুরুষ বানর-শিম্পাজী। মানুষকে বানরের সাথে তাই একই 'গন' এ স্থান দেয়া হয়েছে। তারপর এই বানরেরও উদ্ভব কোন একটা গোত্র থেকে। এভাবে পেছনে ফিরতে থাকলে দেখা যায় মাটিতে পাওয়া অ্যামিনো এসিড হলো প্রানের রহস্য। তবে এর শুরু আসলে কোথা থেকে তা কেউ কি বলতে পারেন? যার শুরু স্পষ্ট নয় তা সত্য অবশ্যই নয়।
গত ৪০০০ বছরে জঙ্গল থেকে কি কোন মানুষ সভ্য জগতে এসেছে? মানুষ যদি বানরেরই পরের সংস্করণ তবে তো মানুষের কোন পূর্বপুরুষ কোন বানরের পরিবারেই জন্মেছিল। তবে এখন কেন এ ধরনের খবর সি এন এন কিংবা বিবিসিতে আসে না যে, "এ বছর জঙ্গল থেকে আসা বিবর্তিত হওয়া মানুষের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর শুধুমাত্র আমেরিকাতেই এই সংখ্যা ১৫০০০। আর নতুন এই মনুষ্যগুলোর জন্য বাসস্থানের ব্যাবস্থা করতে সরকারের ১৫ কোটি ডলার খরচ করা হয়েছে। নয়া বিবর্তিত মানুষের জন্য আলাদা স্কুলের জন্য এবছর সরকার আলাদা ফান্ড গঠন করেছে। ইত্যাদি।"
ধরা যাক ৫০০০০ বছর আগে বানর থেকে মানুষ নামে এক বুদ্ধিমান প্রানীর বিবর্তন হয়েছে। তবে এতদিনেও কেন মানুষ থেকে অন্য কোন নতুন এবং আরো বুদ্ধিমান প্রানীর উদ্ভব হলোনা?
মানুষের খুলির মস্তিষ্ক ধারণক্ষমতা ১৪৫০ ঘন সেন্টিমিটার। আর বানর জাতীয় প্রানীর মস্তিষ্ক ধারণ ক্ষমতা ৩২৫ থেকে ৪৫০ ঘনসেন্টিমিটার। তাছাড়া মানুষ এবং বানরের পেলভিস (কোমরের হাড়) , মাথা এবং পায়ের হাড়ের পার্থক্য অনেক বিশাল। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এমন ফসিল আবিষ্কার করতে পারেননি যাতে বানরের মস্তিস্ক বৃদ্ধির চিহ্ন পাওয়া যায়।
বিগত কয়েক শতাব্দী ধরে সরীসৃপ থেকে পাখি বিবর্তিত হওয়ার আর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না কেন?
কোন্ গাছ থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধাপে ডালিম গাছ কিংবা আম গাছ কিংবা তাল গাছ বিবর্তিত হয়েছে?
মাছ জাতীয় জলজ প্রাণী থেকে- ধাপে ধাপে রিচার্ড ডকিন্সের মতো স্থলচর প্রাণীর বিবর্তন বেশি যৌক্তিক, নাকি আরেক জলজ প্রাণী মৎসকন্যার বিবর্তন বেশি যৌক্তিক?
মা-বাবার মিলন ব্যতীত মানুষের জন্ম না হলে স্রস্টা ব্যতীত সৃষ্টি কিভাবে সম্ভব? তাই নাস্তিকতা মানে কপটতা, ভন্ডামি।
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…