ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার আগমন
২ মিনিটে পড়ুন ১ বার দেখা হয়েছে১৭ মে ২০২২

Secularism বা ধর্মনিরপেক্ষতার পরিষ্কার মানে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি থেকে ধর্মকে বিচ্ছিন্ন করা, ধর্মীয় আইন-কানুন থেকে রাষ্ট্র আলাদা থাকবে, রাষ্ট্রী্য় জীবনে আল্লাহর বিধানকে নিষিদ্ধ করা।
উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের আগে ধর্মরাষ্ট্রই ছিল - রাষ্ট্র থেকে ধর্ম বিচ্ছিন্ন ছিল না। ব্রিটিশরা উপমহাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা চালু করে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ স্বাধীনের পর এই তিন দেশে অফিসিয়ালি ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করেন ব্রিটিশদের খ্রিস্টান মিশনারি স্কুলে পড়া তিন কৃতি ছাত্র:
১. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী) (ভারত): রাজকোট ইংলিশ স্কুল (পরবর্তীতে আলফ্রেড হাই স্কুল), ইনার টেম্পল, লন্ডন
২. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ (পাকিস্তান): The Cathedral & John Connon School, বোম্বে; খ্রিস্টান মিশনারি সোসাইটি হাই স্কুল, করাচি। [জিন্নাহ সেকুলার ছিলেন; তিনি সেকুলার পাকিস্তানই চেয়েছেন - কোনো ধর্মরাষ্ট্র নয়।]
৩. শেখ মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশ): খ্রিস্টান মিশনারি হাই স্কুল, গোপালগঞ্জ। এখান থেকেই এন্ট্রান্স পাশ, রাজনীতির হাতেখড়িও এই স্কুলে থাকতেই।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারেও জন্ম নিলেও (কলকাতার চন্ডিদাস, গৌরীবালা, অরণ্য কুমারের গল্প সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন) খ্রিস্টান মিশনারীদের সংস্পর্শে শেখ মুজিব আদর্শিকভাবেই ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন। ধর্মকর্মে তাঁর মতি ছিল না - হজ করেননি জীবনে কখনোই।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর স্বাধীন ভারত ১৯৫০ সালের সংবিধানে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এই দেশটি সেকুলার।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের সময়ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা শোনা যায়নি। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে কোথাও এই মতবাদের কথা ছিল না। পাকিস্তান আমলে শেখ মুজিব কখনোই প্রকাশ্যে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেননি। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-এ লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরার পথে দিল্লিতে নেমে শেখ মুজিব বলে বসলেন, বাংলাদেশের এই জয় "ধর্মনিরপেক্ষতার বিজয়"! এর পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে গান্ধী-নেহরুর ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশে অফিসিয়ালি আমদানি করেন শেখ মুজিব। সেই ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে "রাব্বি জিদনি ইলমা" তুলে দেয়া হয়।
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান আর্মিকে সমর্থনের অজুহাতে ১৯৫৯-৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত "ইসলামিক একাডেমি" ১৯৭২ সালে বন্ধ করে দেয়া হয়। "ইসলামিক একাডেমি"-র বিরুদ্ধে রাজনীতিতে ইসলাম ব্যবহার [ধর্মনিরপেক্ষতা পরিপন্থী] করার অভিযোগও করা হয়। পরে মুসলিম বিশ্বে ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য ১৯৭৫ সালের মার্চে "ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ" নামে ওই প্রতিষ্ঠান আবার চালু করেন শেখ মুজিব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত "সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ" ১ম খণ্ডেও এই তথ্যগুলো আছে।
ইসলাম সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতা সমর্থন করে না।
আল্লাহ বলছেন, "হে ঈমানদারগণ, তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর।" [সূরা বাকারা: ২০৮]
উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের আগে ধর্মরাষ্ট্রই ছিল - রাষ্ট্র থেকে ধর্ম বিচ্ছিন্ন ছিল না। ব্রিটিশরা উপমহাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা চালু করে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ স্বাধীনের পর এই তিন দেশে অফিসিয়ালি ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করেন ব্রিটিশদের খ্রিস্টান মিশনারি স্কুলে পড়া তিন কৃতি ছাত্র:
১. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী) (ভারত): রাজকোট ইংলিশ স্কুল (পরবর্তীতে আলফ্রেড হাই স্কুল), ইনার টেম্পল, লন্ডন
২. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ (পাকিস্তান): The Cathedral & John Connon School, বোম্বে; খ্রিস্টান মিশনারি সোসাইটি হাই স্কুল, করাচি। [জিন্নাহ সেকুলার ছিলেন; তিনি সেকুলার পাকিস্তানই চেয়েছেন - কোনো ধর্মরাষ্ট্র নয়।]
৩. শেখ মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশ): খ্রিস্টান মিশনারি হাই স্কুল, গোপালগঞ্জ। এখান থেকেই এন্ট্রান্স পাশ, রাজনীতির হাতেখড়িও এই স্কুলে থাকতেই।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারেও জন্ম নিলেও (কলকাতার চন্ডিদাস, গৌরীবালা, অরণ্য কুমারের গল্প সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন) খ্রিস্টান মিশনারীদের সংস্পর্শে শেখ মুজিব আদর্শিকভাবেই ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন। ধর্মকর্মে তাঁর মতি ছিল না - হজ করেননি জীবনে কখনোই।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর স্বাধীন ভারত ১৯৫০ সালের সংবিধানে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এই দেশটি সেকুলার।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের সময়ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা শোনা যায়নি। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে কোথাও এই মতবাদের কথা ছিল না। পাকিস্তান আমলে শেখ মুজিব কখনোই প্রকাশ্যে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেননি। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-এ লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরার পথে দিল্লিতে নেমে শেখ মুজিব বলে বসলেন, বাংলাদেশের এই জয় "ধর্মনিরপেক্ষতার বিজয়"! এর পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে গান্ধী-নেহরুর ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশে অফিসিয়ালি আমদানি করেন শেখ মুজিব। সেই ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে "রাব্বি জিদনি ইলমা" তুলে দেয়া হয়।
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান আর্মিকে সমর্থনের অজুহাতে ১৯৫৯-৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত "ইসলামিক একাডেমি" ১৯৭২ সালে বন্ধ করে দেয়া হয়। "ইসলামিক একাডেমি"-র বিরুদ্ধে রাজনীতিতে ইসলাম ব্যবহার [ধর্মনিরপেক্ষতা পরিপন্থী] করার অভিযোগও করা হয়। পরে মুসলিম বিশ্বে ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য ১৯৭৫ সালের মার্চে "ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ" নামে ওই প্রতিষ্ঠান আবার চালু করেন শেখ মুজিব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত "সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ" ১ম খণ্ডেও এই তথ্যগুলো আছে।
ইসলাম সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতা সমর্থন করে না।
আল্লাহ বলছেন, "হে ঈমানদারগণ, তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর।" [সূরা বাকারা: ২০৮]
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…