ভারতে রাসূল (সা) কে নিয়ে কটূক্তি করা এবং রাসূল (সা) এর সম্মান রক্ষার প্রকৃত উপায়
৩ মিনিটে পড়ুন১০ জুন ২০২২
কিছুদিন আগে ফ্রান্সে বিশ্বনবী ও শ্রেষ্ঠনবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ)-কে কটাক্ষ করে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল। এর পূর্বে মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা স্যাম বাসিল ও তার কলাকুশলীরা ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ নামক চলচ্চিত্রে মহানবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সঃ)-কে অত্যন্ত অশালীন ও বিকৃতভাবে বিদ্রুপ করেছিল। সম্প্রতি বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তার স্ত্রী আয়েশা (রাঃ)-কে নিয়ে ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপি নেতারা অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছে।
মেসি/নেইমার কিংবা আমাদের পছন্দের সস্তা সেলিব্রেটি দেরকে কেউ গালি দিলে আপনার মাথা খারাপ হয়ে যায়। আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব কিংবা প্রিয় রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে, আমরা তার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে দিই। কিন্তু প্রাণের থেকে প্রিয় মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে, কটূক্তি করা সত্বেও আমাদের তেমন গায়ে লাগে না। একটু-আধটু লাগলেও এনিয়ে কোন কথা বলা কিংবা প্রতিবাদ করার মতো কোনো ইচ্ছায় যেন আমাদের নেই!
আর করবেই বা কেন! আমাদের মুসলীম যুবকরা এখন সারাদিন তো অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, গার্লফ্রেন্ড, পাবজি/ফ্রিফায়ার, গান-বাজনা এইসব নিয়েই মত্ত থাকে। যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দ্বীন মানে না তার কাছে মুহাম্মদ (সাঃ) কে গালি দিলেই বা কি আসে যায়। আমরা নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করি, অথচ মুনাফিকদের সাথে আজ আমাদের কোন পার্থক্য নেই! আমাদের আশে পাশেই এমন অনেক মুসলমান আছে যারা এতোই বেখবর যে তারা মুনাফিকদের কাতারে পরে যাচ্ছে।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন— ❝তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সমস্ত মানুষ থেকে প্রিয় হব।❞ (সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১৫)
"যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিশাপ দেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।" (৩৩:৫৭)
আল্লাহ তাআলাকে কষ্ট দেওয়ার অর্থ হল ঐ সকল কাজ করা, যা তিনি অপছন্দ করেন। (আহসানুল বায়ান)
মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কষ্ট দেয়া বলতে বোঝায় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ইচ্ছা এবং সন্তুষ্টির বিপরীতে চলা যা মহান আল্লাহর ক্রোধ ও অভিশাপ তথা মহাশাস্তিকে অনিবার্য করে তোলে।
যেমন হাদীসে কুদসীতে আছে আল্লাহ তাআলা বলেন, "আদম সন্তান আমাকে কষ্ট দেয়, তারা যুগকে গালি দেয়, অথচ আমিই যুগ। দিবারাত্রির আবর্তন আমিই করে থাকি।" (বুখারী, মুসলিম)
নবীজী সা:-এর সম্মান মর্যাদা রক্ষা করা মুসলমানদের ঈমানের মৌলিক অংশ। সবার ভিতরেই একটু সুপ্ত নিভু নিভু ঈমান থাকে। প্রিয় ভাইয়েরা আসুন সেই ঈমানকে আবার জাগ্ৰত করুন।
রাসূল (সা) এর সম্মান বারবার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। আমাদের তথাকথিত জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রগুলো রাসূল (সা) এর সম্মান রক্ষার জন্য এগিয়ে আসছে না। কিছু রাষ্ট্র জনমতের চাপে সামান্য প্রতিবাদ করার মধ্য দিয়ে তাদের কর্তব্য শেষ মনে করছে। একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থা যা আমাদের প্রানপ্রিয় রাসূল (সা) এর সম্মান রক্ষার জন্য যথাযত ব্যবস্থা নিবে।
১৮৯০ সালে মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে কটূক্তিকর ফ্লিম তৈরির করায় ঘোষণা দিলে খলিফা আব্দুল হামিদ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জিহাদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। যার ফলে ফ্রান্স সেই ফ্লিম তৈরী বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল।
তাই আসুন আমরা সেই খিলাফত ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসি এবং কুরআন ও সুন্নাহকে সমাজে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে রাসূল (সা) কে ভালোবাসার ও তার সম্মান রক্ষা করার প্রকৃত উদাহরণ তৈরী করি।
মেসি/নেইমার কিংবা আমাদের পছন্দের সস্তা সেলিব্রেটি দেরকে কেউ গালি দিলে আপনার মাথা খারাপ হয়ে যায়। আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব কিংবা প্রিয় রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে, আমরা তার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে দিই। কিন্তু প্রাণের থেকে প্রিয় মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে, কটূক্তি করা সত্বেও আমাদের তেমন গায়ে লাগে না। একটু-আধটু লাগলেও এনিয়ে কোন কথা বলা কিংবা প্রতিবাদ করার মতো কোনো ইচ্ছায় যেন আমাদের নেই!
আর করবেই বা কেন! আমাদের মুসলীম যুবকরা এখন সারাদিন তো অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, গার্লফ্রেন্ড, পাবজি/ফ্রিফায়ার, গান-বাজনা এইসব নিয়েই মত্ত থাকে। যে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দ্বীন মানে না তার কাছে মুহাম্মদ (সাঃ) কে গালি দিলেই বা কি আসে যায়। আমরা নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করি, অথচ মুনাফিকদের সাথে আজ আমাদের কোন পার্থক্য নেই! আমাদের আশে পাশেই এমন অনেক মুসলমান আছে যারা এতোই বেখবর যে তারা মুনাফিকদের কাতারে পরে যাচ্ছে।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন— ❝তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সমস্ত মানুষ থেকে প্রিয় হব।❞ (সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১৫)
"যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিশাপ দেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।" (৩৩:৫৭)
আল্লাহ তাআলাকে কষ্ট দেওয়ার অর্থ হল ঐ সকল কাজ করা, যা তিনি অপছন্দ করেন। (আহসানুল বায়ান)
মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কষ্ট দেয়া বলতে বোঝায় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ইচ্ছা এবং সন্তুষ্টির বিপরীতে চলা যা মহান আল্লাহর ক্রোধ ও অভিশাপ তথা মহাশাস্তিকে অনিবার্য করে তোলে।
যেমন হাদীসে কুদসীতে আছে আল্লাহ তাআলা বলেন, "আদম সন্তান আমাকে কষ্ট দেয়, তারা যুগকে গালি দেয়, অথচ আমিই যুগ। দিবারাত্রির আবর্তন আমিই করে থাকি।" (বুখারী, মুসলিম)
নবীজী সা:-এর সম্মান মর্যাদা রক্ষা করা মুসলমানদের ঈমানের মৌলিক অংশ। সবার ভিতরেই একটু সুপ্ত নিভু নিভু ঈমান থাকে। প্রিয় ভাইয়েরা আসুন সেই ঈমানকে আবার জাগ্ৰত করুন।
রাসূল (সা) এর সম্মান বারবার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। আমাদের তথাকথিত জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রগুলো রাসূল (সা) এর সম্মান রক্ষার জন্য এগিয়ে আসছে না। কিছু রাষ্ট্র জনমতের চাপে সামান্য প্রতিবাদ করার মধ্য দিয়ে তাদের কর্তব্য শেষ মনে করছে। একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থা যা আমাদের প্রানপ্রিয় রাসূল (সা) এর সম্মান রক্ষার জন্য যথাযত ব্যবস্থা নিবে।
১৮৯০ সালে মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে কটূক্তিকর ফ্লিম তৈরির করায় ঘোষণা দিলে খলিফা আব্দুল হামিদ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জিহাদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। যার ফলে ফ্রান্স সেই ফ্লিম তৈরী বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল।
তাই আসুন আমরা সেই খিলাফত ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসি এবং কুরআন ও সুন্নাহকে সমাজে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে রাসূল (সা) কে ভালোবাসার ও তার সম্মান রক্ষা করার প্রকৃত উদাহরণ তৈরী করি।
✦আরও পড়ুন
✦ প্রবন্ধ ✦শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
প্রবন্ধ
শীঘ্রই ইহুদিরা পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানী হবে ইনশাআল্লাহ
ফিলিস্তিন হল মসজিদ আল-আকসার বাড়ি, মক্কার মসজিদ আল-হারামের পরে পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। এটি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…
✦ প্রবন্ধ ✦ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
প্রবন্ধ
ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায় প্রথম
১৫২টি দেশের ১,২০০ টিরও বেশি শহরের ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ করে একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের কোলাহলপূর্ণ রাজধানী ঢাকা বিশ্বের ধীরতম শহরের তালিকায়…
✦ প্রবন্ধ ✦মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
প্রবন্ধ
মুসলমানদের জন্য রবিউল আউয়ালের শিক্ষা
হে মুসলমানগণ! রবিউল আউয়াল মাসে, সমস্ত মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ, চূড়ান্ত নবী ও রসূল হিসাবে মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছিল। আবু আল-হাসান…