গাজি হাসান পাশা, যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন
১ মিনিটে পড়ুন২ এপ্রিল ২০২২

গাজি হাসান পাশা।
উসমানী খিলাফতের সর্বশেষ সিংহ।
যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন।
হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন, আমেরিকাও একসময় উসমানী খিলাফতকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য ছিলো।
১৭০০ সালের মধ্যবর্তি সময়ের কথা। আমেরিকা সবে মাত্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । তখন উসমানী খিলাফতের নৌ বাহিনীর প্রধান ছিলেন এডমিরাল গাজি হাসান পাশা। যার নাম শুনামাত্র বিভিন্ন দেশের নৌ বাহিনীর অন্তরাত্মা কেঁপে উঠতো। তিনি সব সময় সাথে সিংহ নিয়ে চলাফেরা করতেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে তখনও উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনী বিপুল বিক্রমে রাজত্ব করতো আটলান্টিক মহাসাগর, কৃষ্ণ সাগর, এবং ভূমধ্যসাগরে। এই তিনটি সাগর ছিলো উসমানীদের বাড়ীর পুকুর। খেলাফতের অনুমতি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের জাহাজ প্রবেশ করতে পারতোনা।
সেই সময় আমেরিকা মস্তানি করে তাদের পাঁচটি জাহাজ সৈন্য সহ ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে সাথে সাথে খেলাফতের নৌ বাহিনীর প্রধান গাজি হাসান পাশা তাদের ধাওয়া করতে এবং আটক করতে নির্দেশ দেন। টানা পাঁচ ঘন্টা যুদ্ধের পর আমেরিকা নৌ বাহিনী পরাজয় বরন করে এবং উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনীর হাতে বন্দী হয়। গাজি হাসান পাশা আটককৃত আমেরিকার সৈনিক এবং যুদ্ধ জাহাজ আলজেরিয়ার উপকূলে বেধে রাখেন। তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন, খলিফার কাছে তাদের সৈন্য এবং জাহাজ ফেরত চান। তখন খলিফা জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে বিশাল মুক্তিপণ দাবী করেন এবং জর্জ ওয়াশিংটনকে সরাসরি নিজে এসে একটা চুক্তিপত্রে সাক্ষর করতে বলেন। বাধ্য হয়ে জর্জ ওয়াশিংটন নিজে এসে খলিফার সাথে চুক্তিপত্রে সাক্ষর করেন।
এটাই আমেরিকার ইতিহাসে একমাত্র বিদেশি ভাষায় (আরবি ভাষায়) সাক্ষরিত চুক্তি, এই চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকা উসমানী খিলাফতকে টানা আঠারো বছর ট্যাক্স দেয়।
আহ! কোথায় হারিয়ে গেল আমাদের সেই খিলাফত। আসুন আমরা আবার সেই খিলাফত ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই।
উসমানী খিলাফতের সর্বশেষ সিংহ।
যিনি আমেরিকাকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য করেছিলেন।
হ্যা, আপনি ঠিকই শুনেছেন, আমেরিকাও একসময় উসমানী খিলাফতকে ট্যাক্স দিতে বাধ্য ছিলো।
১৭০০ সালের মধ্যবর্তি সময়ের কথা। আমেরিকা সবে মাত্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । তখন উসমানী খিলাফতের নৌ বাহিনীর প্রধান ছিলেন এডমিরাল গাজি হাসান পাশা। যার নাম শুনামাত্র বিভিন্ন দেশের নৌ বাহিনীর অন্তরাত্মা কেঁপে উঠতো। তিনি সব সময় সাথে সিংহ নিয়ে চলাফেরা করতেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে তখনও উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনী বিপুল বিক্রমে রাজত্ব করতো আটলান্টিক মহাসাগর, কৃষ্ণ সাগর, এবং ভূমধ্যসাগরে। এই তিনটি সাগর ছিলো উসমানীদের বাড়ীর পুকুর। খেলাফতের অনুমতি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের জাহাজ প্রবেশ করতে পারতোনা।
সেই সময় আমেরিকা মস্তানি করে তাদের পাঁচটি জাহাজ সৈন্য সহ ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে সাথে সাথে খেলাফতের নৌ বাহিনীর প্রধান গাজি হাসান পাশা তাদের ধাওয়া করতে এবং আটক করতে নির্দেশ দেন। টানা পাঁচ ঘন্টা যুদ্ধের পর আমেরিকা নৌ বাহিনী পরাজয় বরন করে এবং উসমানী খেলাফতের নৌ বাহিনীর হাতে বন্দী হয়। গাজি হাসান পাশা আটককৃত আমেরিকার সৈনিক এবং যুদ্ধ জাহাজ আলজেরিয়ার উপকূলে বেধে রাখেন। তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন, খলিফার কাছে তাদের সৈন্য এবং জাহাজ ফেরত চান। তখন খলিফা জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে বিশাল মুক্তিপণ দাবী করেন এবং জর্জ ওয়াশিংটনকে সরাসরি নিজে এসে একটা চুক্তিপত্রে সাক্ষর করতে বলেন। বাধ্য হয়ে জর্জ ওয়াশিংটন নিজে এসে খলিফার সাথে চুক্তিপত্রে সাক্ষর করেন।
এটাই আমেরিকার ইতিহাসে একমাত্র বিদেশি ভাষায় (আরবি ভাষায়) সাক্ষরিত চুক্তি, এই চুক্তি অনুযায়ী আমেরিকা উসমানী খিলাফতকে টানা আঠারো বছর ট্যাক্স দেয়।
আহ! কোথায় হারিয়ে গেল আমাদের সেই খিলাফত। আসুন আমরা আবার সেই খিলাফত ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই।
✦আরও পড়ুন

মনীষীদের জীবনী
ইমাম ইবনে সিরিন (রহ.) এর কারা-জীবনের ঘটনা
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন (রহ.) ছিলেন তাবেঈনদের একজন। বসবাস করতেন বসরায়। তিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যার সমাধান দেবার ক্ষেত্রে অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন। একবার…

মনীষীদের জীবনী
ইমাম আবু হানিফা ও নাস্তিক
একবার মুসলিমদের জীবন ব্যবস্থা তথা খিলাফত ব্যবস্থায় খলিফার নিকট এক নাস্তিক এসে বললেন যে আপনার সাম্রাজ্যে এমন কোন জ্ঞানী ব্যক্তিকে ডাকুন আমি তাকে তর্ক…

মনীষীদের জীবনী
ইমাম ইবন কাইয়িম আল জাউজিয়া (রাহিমাহুল্লাহ) (১২৯২–১৩৫০)
মুহাম্মদ ইবন আবু বকর বা ইবনে কাইয়িম ("অধ্যক্ষের সন্তান") বা ইবন কাইয়িম আল জাউজিয়া ("জাউজিয়া বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের সন্তান") বলে অধিক পরিচিত। তিনি…