আমরা সেই সে জাতি (১ম খন্ড) - আবুল আসাদ · অধ্যায় ৩০/৬৮
(৩০) উমারের (রাঃ) ছেলের কান্না
উমারের (রাঃ) ছেলের কান্না
মক্তব থেকে এসে খলীফা উমারের ছেলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। উমার (রাঃ) তাকে টেনে জিজ্ঞাসা করলেন, “কাঁদছ কেন বৎস?”
ছেলে উত্তর দিল, “সবাই আমাকে টিটকারী দেয়”। বলে, “দেখনা জামার ছিরি, চৌদ্দ জায়গায় তালি। বাপ নাকি আবার মুসলিম জাহানের শাসনকর্তা”। বলে ছেলেটি তার কান্নার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিল।
ছেলের কথা শুনে উমার (রাঃ) ভাবলেন কিছুক্ষন। তারপর বাইতুল মা’লের কোষাধ্যক্ষকে লিখে পাঠালেন, “আমাকে আগামী মাসের ভাতা থেকে চার দিরহাম ধার দেবেন”। উত্তরে কোষাধ্যক্ষ তাঁকে লিখে জানালেন, “আপনি ধার নিতে পারেন। কিন্তু কাল যদি আপনি মারা যান তাহলে কে আপনার ধার শোধবে?”
উমার (রাঃ) ছেলের গা-মাথা নেড়ে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, “যাও বাবা, যা আছে তা পরেই মক্তবে যাবে। আমাদের তো আর অনেক টাকা পয়সা নেই। আমি খলীফা সত্য, কিন্তু ধন সম্পদ তো সবই জন সাধারণের”।
মক্তব থেকে এসে খলীফা উমারের ছেলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। উমার (রাঃ) তাকে টেনে জিজ্ঞাসা করলেন, “কাঁদছ কেন বৎস?”
ছেলে উত্তর দিল, “সবাই আমাকে টিটকারী দেয়”। বলে, “দেখনা জামার ছিরি, চৌদ্দ জায়গায় তালি। বাপ নাকি আবার মুসলিম জাহানের শাসনকর্তা”। বলে ছেলেটি তার কান্নার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিল।
ছেলের কথা শুনে উমার (রাঃ) ভাবলেন কিছুক্ষন। তারপর বাইতুল মা’লের কোষাধ্যক্ষকে লিখে পাঠালেন, “আমাকে আগামী মাসের ভাতা থেকে চার দিরহাম ধার দেবেন”। উত্তরে কোষাধ্যক্ষ তাঁকে লিখে জানালেন, “আপনি ধার নিতে পারেন। কিন্তু কাল যদি আপনি মারা যান তাহলে কে আপনার ধার শোধবে?”
উমার (রাঃ) ছেলের গা-মাথা নেড়ে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, “যাও বাবা, যা আছে তা পরেই মক্তবে যাবে। আমাদের তো আর অনেক টাকা পয়সা নেই। আমি খলীফা সত্য, কিন্তু ধন সম্পদ তো সবই জন সাধারণের”।