এক ফোঁটা জল · অধ্যায় ৮/৯
পার্ট - ০৮
দাদার মাঝে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বিয়েবাড়ীর প্রস্তুতি, আত্মীয় স্বজনের আগমন, হই হল্লার মাঝে তিনি একদিন ডেকে নিয়ে রুহি আর সায়রার সাথে পুরো পনেরো মিনিট কথা বললেন! কথা শেষে ওরা চলে আসার সময় রুহির মাথার দিকে হাত উঠালেন, কিন্তু নিজের অহংবোধকে ঠেলে হাতটা ওর মাথায় রাখতে পারলেন না। তবে ওনার এতটুকু প্রচেষ্টাতেই ওরা দু’জন এত উচ্ছ্বসিত হয়ে গেল যে সবকিছু বাদ দিয়ে এই নিয়েই ওরা জল্পনা কল্পনা করল সারা রাত।
বিয়ে নিয়ে বাইরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও রুহি ভেতরে ভেতরে কষ্ট পাচ্ছিল প্রচন্ডভাবে। নিজের বেদনাকে সে মাটিচাপা দিয়ে দিয়েছে, ঠিক যেমন সে চাচীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কষ্ট পাচ্ছিল সাদের কষ্টের কথা ভেবে। ভেবেছিল বিয়ের দিন আসার আগেই সাদ চলে যাবে, ওকে আর রুহির বিয়ে দেখতে হবেনা। কিন্তু রুহির বিয়ে উপলক্ষ্যে সাদের যাওয়া পিছানো হোল। বিয়ে আর ওর পাশ করা উপলক্ষ্যে দাওয়াত একই সাথে হচ্ছে। চাচীকে জিজ্ঞেস করলে উনি বললেন, ‘দূর দূরান্ত থেকে একই লোকজন এক বাড়ীতে ক’বার পয়সা খরচ করে আসা যাওয়া করবে? একসাথে হলে একবারে ঘুরে চলে গেল!’ সাদ সারাদিন হই হল্লা করে, ভাই বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। রুহি মনে মনে কামনা করে সাদ বুঝি ওর প্রতি আকর্ষন কাটিয়ে উঠেছে- হলে ভাল হয়। তবে এটা যদি হয় ভাল থাকার অভিনয় তাহলে রুহির মনে কষ্টের সীমা থাকবেনা।
দেখতে দেখতে বিয়ের দিন এসে গেল। রুহি একবারও জিজ্ঞেস করেনি ছেলের নাম কি, ছেলে কি করে, ছেলের বাড়ী কোথায়, ছেলের মা বাবা ভাইবোন কি অবস্থা, কিছুই না। চাচীমা ওর নির্লিপ্ততা দেখে কি ভাববেন নিজেই বুঝে পান না।
বিয়ের আসর লোকে লোকারণ্য। সব চাচা চাচী ভাইবোনেরা রঙ্গিন প্রজাপতির মত বাড়ীময় উড়ে বেড়াচ্ছে যেন। সাদকেও দেখা যাচ্ছে বেশ ভাল জামাকাপড় পরে উচ্ছ্বসিত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেড়াক, সে খুশি থাকলেই রুহি খুশি।
মৌলভী সাহেব এসে সম্মতি নিয়ে গেলেন, সায়রার, ‘কবুল বল, কবুল বল’ ফিসফিসের জ্বালায় সে শুনতেই পেলোনা কার সাথে বিয়ে হচ্ছে, কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সম্মতি দিয়ে দিলো। এরপর সচরাচর অনুষ্ঠানের আর কিছুই হোলনা। দাদা বললেন, ‘এগুলো বিদআত, এগুলো থেকে দূরে থাকাই উত্তম। আমাদের লক্ষ্য দুই দিনের আনন্দ ফূর্তি নয় বরং এক জীবনের সাহচর্য’। সবাই মিলে বরবধূর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য সম্মিলিত প্রার্থনা করল, নেতৃত্ব দিলেন দাদা নিজেই। ব্যাস, অনুষ্ঠান শেষ।
রাতে খাওয়াদাওয়ার পর রুহিকে ওদের বাসায়ই একটা ঘরে থাকতে দেয়া হোল। পুরাতন বাড়ীতে অনেক ঘর থাকে। এই কামরায় কেউ থাকতনা। বেশ বড় একটা রুম। এটাই গুছিয়ে ফুল দিয়ে সাজিয়ে ওর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সব বোনরা চারিদিকে ঘিরে বসে গল্প করছে। চুপচাপ পড়ুয়া মেয়ে সায়রার গলাটা শোনা যাচ্ছে সবার ওপরে। রুহি জানে সায়রার কাছে ওর খুশি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই বুঝি মন খারাপের মাঝেও এই উচ্ছ্বাস।
একটু পর এই ঘরে থাকবে শুধু রুহি আর একটা অপরিচিত মানুষ যার সম্পর্কে সে কিছুই জানেনা। রুহি মনে মনে ভাবছে এতটা পাগলামী করা মনে হয় ঠিক হয়নি, কে জানে ওর কপালে কি আছে! হঠাৎ সাদকে ঘরে ঢুকতে দেখে বোনগুলো দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড়ে পালাল। সায়রা যেতে গিয়ে দেখে রুহি শক্ত করে ওর হাতটা ধরে রেখেছে। সাদ ওকে একা পেলে কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে ভেবে চিন্তিত বোধ করে রুহি, সাদের যে অগ্নিমূর্তি সে রাতে সে দেখেছে, আজ সে নিজেই বিধ্বস্ত, এই অবস্থায় সে সাদকে একা সামাল দিতে পারবেনা। সাদের পেছন পেছন বড়চাচী এসে ঢোকেন। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রুহি। মায়ের সামনে সে পাগলামী করতে পারবেনা।
চাচী এসে রুহির পাশে বসেন। সাদ দরজার পাশে দাঁড়িয়ে, সায়রার হাত এখনো রুহির হাতে আবদ্ধ। চাচী হেসে বলেন, ‘কি রে, আমার পছন্দের পাত্র তোর পছন্দ হোল?’
রুহি ভাবে এটাই সুযোগ, চাচীমাকে দিয়ে যদি সাদকে এখানে থেকে বিদায় করানো যায়। সে মুচকি হেসে বলে, ‘পাত্রই তো দেখলাম না, পছন্দ অপছন্দ বলব কি করে?’
চাচী আশ্চর্য হয়ে বলেন, ‘বলিস কি? আমার এত্তবড় ঢ্যাঙ্গা ছেলেটাকে তুই চোখেই দেখলিনা?’
এবার পুরাই হতভম্ব রুহি। চাচী এসব কি বলছেন?!
সায়রা বুঝতে পারে রুহি নিজের চিন্তার জগতে ডুবে থাকার কারণে খেয়ালই করেনি নিজেদের পরিবারের বাইরে কেউ ছিলোনা অনুষ্ঠানে, কোন বরপক্ষ আসেনি, মৌলভী সাহেব সম্মতি নিতে এলে রুহি যে পাত্রের নাম শোনেনি সেটা অবশ্য সায়রার দোষ। তাড়াতাড়ি কবুল বলানোর জন্য খুব জ্বালাতন করছিল সে রুহিকে। সে বলে, ‘তুই আজ থেকে আমার ভাবী হলি, কি এখনও বুঝিসনি?’
রুহি ওর দিকে এমনভাবে তাকায় যেন ভস্ম করে ফেলবে, সায়রা বলে, ‘বিশ্বাস কর, আমি কাউকে কিছুই বলিনি। ভাইয়াও বলেনি। মা নিজেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে’।
কিছুই বুঝতে পারেনা রুহি। জিজ্ঞাসে দৃষ্টিতে চাচীর দিকে তাকায়। চাচী বলেন, ‘ওরে, সেই ছোটবেলা থেকে থেকে তোকে আমি নিজের সন্তানের মত করে মানুষ করেছি। তারপর আমি কি করে তোকে আরেকজনের হাতে তুলে দেই? তাই ভাবলাম তোকে আমার কাছেই রেখে দেই!’
রুহির চোখে অশ্রুর বান ডাকে, তবু ওর জানা প্রয়োজন, ‘চাচীমা, তাহলে এই কথা সরাসরি না বলে বায়োডাটাগুলোর কথা জিজ্ঞেস করেছিলে কেন?’
‘মা বল মা! এতদিনে এই অধিকার আমার হোল। অধিকার হলেই অধিকার খাটাতে হবে এমন কথা আছে নাকি? যদি এমন হত যে আমার সাদকে তোর পছন্দ নয়, তখন আমি জোর খাটালে তোর ভাল লাগতনা নিশ্চয়ই। একই কথা আমি সাদকেও জিজ্ঞেস করেছি, তোকে ঘরে রেখে দিতে ওর কোন আপত্তি আছে কিনা। সে কথা শুনে ছেলে আমার যেভাবে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল তাতে আমার আর বুঝতে বাকী রইলোনা আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শুধু তোর নির্লিপ্ততাটা আমি বুঝতে পারছিলাম না। আজ কবুল পড়ানোর পর সায়রা আমার কাছে সব স্বীকার করল। মা’রে এত ভালবেসেছি তোকে, কিন্তু তোর মত করে ভালবাসতে পারিনি’।
বাকরুদ্ধ হয়ে রুহি চাচীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। ঋনের বোঝা যে বাড়তেই রয়েছে!
বিয়ে নিয়ে বাইরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও রুহি ভেতরে ভেতরে কষ্ট পাচ্ছিল প্রচন্ডভাবে। নিজের বেদনাকে সে মাটিচাপা দিয়ে দিয়েছে, ঠিক যেমন সে চাচীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কষ্ট পাচ্ছিল সাদের কষ্টের কথা ভেবে। ভেবেছিল বিয়ের দিন আসার আগেই সাদ চলে যাবে, ওকে আর রুহির বিয়ে দেখতে হবেনা। কিন্তু রুহির বিয়ে উপলক্ষ্যে সাদের যাওয়া পিছানো হোল। বিয়ে আর ওর পাশ করা উপলক্ষ্যে দাওয়াত একই সাথে হচ্ছে। চাচীকে জিজ্ঞেস করলে উনি বললেন, ‘দূর দূরান্ত থেকে একই লোকজন এক বাড়ীতে ক’বার পয়সা খরচ করে আসা যাওয়া করবে? একসাথে হলে একবারে ঘুরে চলে গেল!’ সাদ সারাদিন হই হল্লা করে, ভাই বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। রুহি মনে মনে কামনা করে সাদ বুঝি ওর প্রতি আকর্ষন কাটিয়ে উঠেছে- হলে ভাল হয়। তবে এটা যদি হয় ভাল থাকার অভিনয় তাহলে রুহির মনে কষ্টের সীমা থাকবেনা।
দেখতে দেখতে বিয়ের দিন এসে গেল। রুহি একবারও জিজ্ঞেস করেনি ছেলের নাম কি, ছেলে কি করে, ছেলের বাড়ী কোথায়, ছেলের মা বাবা ভাইবোন কি অবস্থা, কিছুই না। চাচীমা ওর নির্লিপ্ততা দেখে কি ভাববেন নিজেই বুঝে পান না।
বিয়ের আসর লোকে লোকারণ্য। সব চাচা চাচী ভাইবোনেরা রঙ্গিন প্রজাপতির মত বাড়ীময় উড়ে বেড়াচ্ছে যেন। সাদকেও দেখা যাচ্ছে বেশ ভাল জামাকাপড় পরে উচ্ছ্বসিত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেড়াক, সে খুশি থাকলেই রুহি খুশি।
মৌলভী সাহেব এসে সম্মতি নিয়ে গেলেন, সায়রার, ‘কবুল বল, কবুল বল’ ফিসফিসের জ্বালায় সে শুনতেই পেলোনা কার সাথে বিয়ে হচ্ছে, কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সম্মতি দিয়ে দিলো। এরপর সচরাচর অনুষ্ঠানের আর কিছুই হোলনা। দাদা বললেন, ‘এগুলো বিদআত, এগুলো থেকে দূরে থাকাই উত্তম। আমাদের লক্ষ্য দুই দিনের আনন্দ ফূর্তি নয় বরং এক জীবনের সাহচর্য’। সবাই মিলে বরবধূর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য সম্মিলিত প্রার্থনা করল, নেতৃত্ব দিলেন দাদা নিজেই। ব্যাস, অনুষ্ঠান শেষ।
রাতে খাওয়াদাওয়ার পর রুহিকে ওদের বাসায়ই একটা ঘরে থাকতে দেয়া হোল। পুরাতন বাড়ীতে অনেক ঘর থাকে। এই কামরায় কেউ থাকতনা। বেশ বড় একটা রুম। এটাই গুছিয়ে ফুল দিয়ে সাজিয়ে ওর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সব বোনরা চারিদিকে ঘিরে বসে গল্প করছে। চুপচাপ পড়ুয়া মেয়ে সায়রার গলাটা শোনা যাচ্ছে সবার ওপরে। রুহি জানে সায়রার কাছে ওর খুশি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই বুঝি মন খারাপের মাঝেও এই উচ্ছ্বাস।
একটু পর এই ঘরে থাকবে শুধু রুহি আর একটা অপরিচিত মানুষ যার সম্পর্কে সে কিছুই জানেনা। রুহি মনে মনে ভাবছে এতটা পাগলামী করা মনে হয় ঠিক হয়নি, কে জানে ওর কপালে কি আছে! হঠাৎ সাদকে ঘরে ঢুকতে দেখে বোনগুলো দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড়ে পালাল। সায়রা যেতে গিয়ে দেখে রুহি শক্ত করে ওর হাতটা ধরে রেখেছে। সাদ ওকে একা পেলে কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে ভেবে চিন্তিত বোধ করে রুহি, সাদের যে অগ্নিমূর্তি সে রাতে সে দেখেছে, আজ সে নিজেই বিধ্বস্ত, এই অবস্থায় সে সাদকে একা সামাল দিতে পারবেনা। সাদের পেছন পেছন বড়চাচী এসে ঢোকেন। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রুহি। মায়ের সামনে সে পাগলামী করতে পারবেনা।
চাচী এসে রুহির পাশে বসেন। সাদ দরজার পাশে দাঁড়িয়ে, সায়রার হাত এখনো রুহির হাতে আবদ্ধ। চাচী হেসে বলেন, ‘কি রে, আমার পছন্দের পাত্র তোর পছন্দ হোল?’
রুহি ভাবে এটাই সুযোগ, চাচীমাকে দিয়ে যদি সাদকে এখানে থেকে বিদায় করানো যায়। সে মুচকি হেসে বলে, ‘পাত্রই তো দেখলাম না, পছন্দ অপছন্দ বলব কি করে?’
চাচী আশ্চর্য হয়ে বলেন, ‘বলিস কি? আমার এত্তবড় ঢ্যাঙ্গা ছেলেটাকে তুই চোখেই দেখলিনা?’
এবার পুরাই হতভম্ব রুহি। চাচী এসব কি বলছেন?!
সায়রা বুঝতে পারে রুহি নিজের চিন্তার জগতে ডুবে থাকার কারণে খেয়ালই করেনি নিজেদের পরিবারের বাইরে কেউ ছিলোনা অনুষ্ঠানে, কোন বরপক্ষ আসেনি, মৌলভী সাহেব সম্মতি নিতে এলে রুহি যে পাত্রের নাম শোনেনি সেটা অবশ্য সায়রার দোষ। তাড়াতাড়ি কবুল বলানোর জন্য খুব জ্বালাতন করছিল সে রুহিকে। সে বলে, ‘তুই আজ থেকে আমার ভাবী হলি, কি এখনও বুঝিসনি?’
রুহি ওর দিকে এমনভাবে তাকায় যেন ভস্ম করে ফেলবে, সায়রা বলে, ‘বিশ্বাস কর, আমি কাউকে কিছুই বলিনি। ভাইয়াও বলেনি। মা নিজেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে’।
কিছুই বুঝতে পারেনা রুহি। জিজ্ঞাসে দৃষ্টিতে চাচীর দিকে তাকায়। চাচী বলেন, ‘ওরে, সেই ছোটবেলা থেকে থেকে তোকে আমি নিজের সন্তানের মত করে মানুষ করেছি। তারপর আমি কি করে তোকে আরেকজনের হাতে তুলে দেই? তাই ভাবলাম তোকে আমার কাছেই রেখে দেই!’
রুহির চোখে অশ্রুর বান ডাকে, তবু ওর জানা প্রয়োজন, ‘চাচীমা, তাহলে এই কথা সরাসরি না বলে বায়োডাটাগুলোর কথা জিজ্ঞেস করেছিলে কেন?’
‘মা বল মা! এতদিনে এই অধিকার আমার হোল। অধিকার হলেই অধিকার খাটাতে হবে এমন কথা আছে নাকি? যদি এমন হত যে আমার সাদকে তোর পছন্দ নয়, তখন আমি জোর খাটালে তোর ভাল লাগতনা নিশ্চয়ই। একই কথা আমি সাদকেও জিজ্ঞেস করেছি, তোকে ঘরে রেখে দিতে ওর কোন আপত্তি আছে কিনা। সে কথা শুনে ছেলে আমার যেভাবে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল তাতে আমার আর বুঝতে বাকী রইলোনা আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শুধু তোর নির্লিপ্ততাটা আমি বুঝতে পারছিলাম না। আজ কবুল পড়ানোর পর সায়রা আমার কাছে সব স্বীকার করল। মা’রে এত ভালবেসেছি তোকে, কিন্তু তোর মত করে ভালবাসতে পারিনি’।
বাকরুদ্ধ হয়ে রুহি চাচীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। ঋনের বোঝা যে বাড়তেই রয়েছে!