আরজ আলী সমীপে - আরিফ আজাদ · অধ্যায় ২/১৩
(০২) প্রকাশকের কথা
প্রকাশকের কথাঃ
বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে যে কয়েকটা জিনিস মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে একটি হলো নাস্তিকতা। ধর্মবিদ্বেষ, ধর্মের অপব্যাখ্যাসহ বিভিন্ন কার্যকলাপ দিন দিন যেন বেড়েই চলেছে। ব্লগ, ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এসব নিয়ে হরহামেশাই এখন লেখালেখি, তর্কাতর্কি হচ্ছে।
শত শত মুসলিম তরুণ এই অপব্যাখ্যা এবং বিদ্বেষের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে ধর্ম থেকে সরে যাচ্ছে। তাদের মনে নানারকম প্রশ্ন, সন্দেহ ঢুকিয়ে দিচ্ছে বিরুদ্ধবাদীরা।
বাংলাদেশের নাস্তিকতা-জগতে একটি পরম শ্রদ্ধেয়, উচ্চারিত এবং বহুলপ্রচারিত নাম আরজ আলী মাতুব্বর। জন্মেছেন বরিশালে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও নিজে নিজে স্বশিক্ষিত হয়েছেন বলে জানা যায়।
ধর্মের প্রতি একধরনের বিতৃষ্ণা থেকে উনি কলম ধরেছিলেন বলে লোকমুখে শোনা যায়। এই বিতৃষ্ণা থেকে উনি ধর্ম নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি, প্রশ্ন এবং সন্দেহ উত্থাপন করেছিলেন। এই প্রশ্নগুলো নাস্তিকসমাজে বহুলব্যবহৃতও হয়। বাংলা নাস্তিকসমাজের পুরোধা এই লোকের লিখিত বইয়ের জবাব হিসেবে কোনো বই বাংলা ভাষায় ইতিপূর্বে লিখিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। উনার বইপত্র পড়ে যেসব শিক্ষিত যুবক শ্রেণি সন্দেহের বেড়াজালে আটকা পড়ছে, তাদের জন্য আরজ আলী মাতুব্বরের বইয়ের বিপরীতে উনার যুক্তি, প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা ছিল সময়ের একটি অন্যতম দাবি।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সময়ের অন্যতম তরুণ লেখক আরিফ আজ কাজটিই হাতে তুলে নিয়েছেন। অবিশ্বাসীদের মৌচাকে তিনি প্রথম ঢিল ছুড়েছিলেন গত বছরের বইমেলায় প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ লিখে। বিশ্বাসীমহলে বর্তমান জনপ্রিয় এই লেখক এবার আরজ আলী মাতুব্বরের প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, আরজ আলী সমীপে। বইটিতে তিনি আরজ আলী মাতুব্বর সাহেবের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব তো দিয়েছেনই, সাথে ছুড়ে দিয়েছেন পাল্টা প্রশ্নও।
এতদিন আরজ আলী মাতুব্বরের বইপত্র পড়ে যারা বিভ্রান্ত হত, যারা মনে করত আরজ আলী মাতুব্বরের অবস্থান সঠিক এবং প্রশ্নাতীত, লেখক আরিফ আজাদের নতুন বই আরজ আলী সমীপে তাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস, ইনশাআল্লাহ।
আমরা চেষ্টা করেছি বইটিকে নাস্তিকতার বিপক্ষে, আস্তিকতার পক্ষে একটি দলিল, একটি রেফারেন্স বই হিসেবে উপস্থাপন করতে। শারঈ দৃষ্টিকোণ থেকে যেন কোনো সমস্যা না থাকে, সে জন্যে আমরা বইটি প্রখ্যাত আলেম দ্বারা শার’ঈ সম্পাদনাও করে নিয়েছি। এরপরও এতে কিছু ভুলত্রুটি থেকে যাওয়া স্বাভাবিক। যেকোনো ধরনের ভুলত্রুটি যদি বোদ্ধা পাঠকমহলের দৃষ্টিগোচর হয়, আমাদের জানানোর বিশেষ অনুরোধ করছি। আমরা সেটা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করব এবং সংশোধন করে নেব, ইনশাআল্লাহ।
আমরা লেখক আরিফ আজাদের দীর্ঘায়ু কামনা করি। দ্বীনের জন্য তার মেহনতের বদলা হিসেবে তিনি যেন জান্নাতে উচ্চতর আসন লাভ করতে পারেন, আল্লাহুম্মা আমীন।
বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে যে কয়েকটা জিনিস মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে একটি হলো নাস্তিকতা। ধর্মবিদ্বেষ, ধর্মের অপব্যাখ্যাসহ বিভিন্ন কার্যকলাপ দিন দিন যেন বেড়েই চলেছে। ব্লগ, ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এসব নিয়ে হরহামেশাই এখন লেখালেখি, তর্কাতর্কি হচ্ছে।
শত শত মুসলিম তরুণ এই অপব্যাখ্যা এবং বিদ্বেষের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে ধর্ম থেকে সরে যাচ্ছে। তাদের মনে নানারকম প্রশ্ন, সন্দেহ ঢুকিয়ে দিচ্ছে বিরুদ্ধবাদীরা।
বাংলাদেশের নাস্তিকতা-জগতে একটি পরম শ্রদ্ধেয়, উচ্চারিত এবং বহুলপ্রচারিত নাম আরজ আলী মাতুব্বর। জন্মেছেন বরিশালে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও নিজে নিজে স্বশিক্ষিত হয়েছেন বলে জানা যায়।
ধর্মের প্রতি একধরনের বিতৃষ্ণা থেকে উনি কলম ধরেছিলেন বলে লোকমুখে শোনা যায়। এই বিতৃষ্ণা থেকে উনি ধর্ম নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি, প্রশ্ন এবং সন্দেহ উত্থাপন করেছিলেন। এই প্রশ্নগুলো নাস্তিকসমাজে বহুলব্যবহৃতও হয়। বাংলা নাস্তিকসমাজের পুরোধা এই লোকের লিখিত বইয়ের জবাব হিসেবে কোনো বই বাংলা ভাষায় ইতিপূর্বে লিখিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। উনার বইপত্র পড়ে যেসব শিক্ষিত যুবক শ্রেণি সন্দেহের বেড়াজালে আটকা পড়ছে, তাদের জন্য আরজ আলী মাতুব্বরের বইয়ের বিপরীতে উনার যুক্তি, প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা ছিল সময়ের একটি অন্যতম দাবি।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সময়ের অন্যতম তরুণ লেখক আরিফ আজ কাজটিই হাতে তুলে নিয়েছেন। অবিশ্বাসীদের মৌচাকে তিনি প্রথম ঢিল ছুড়েছিলেন গত বছরের বইমেলায় প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ লিখে। বিশ্বাসীমহলে বর্তমান জনপ্রিয় এই লেখক এবার আরজ আলী মাতুব্বরের প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, আরজ আলী সমীপে। বইটিতে তিনি আরজ আলী মাতুব্বর সাহেবের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব তো দিয়েছেনই, সাথে ছুড়ে দিয়েছেন পাল্টা প্রশ্নও।
এতদিন আরজ আলী মাতুব্বরের বইপত্র পড়ে যারা বিভ্রান্ত হত, যারা মনে করত আরজ আলী মাতুব্বরের অবস্থান সঠিক এবং প্রশ্নাতীত, লেখক আরিফ আজাদের নতুন বই আরজ আলী সমীপে তাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস, ইনশাআল্লাহ।
আমরা চেষ্টা করেছি বইটিকে নাস্তিকতার বিপক্ষে, আস্তিকতার পক্ষে একটি দলিল, একটি রেফারেন্স বই হিসেবে উপস্থাপন করতে। শারঈ দৃষ্টিকোণ থেকে যেন কোনো সমস্যা না থাকে, সে জন্যে আমরা বইটি প্রখ্যাত আলেম দ্বারা শার’ঈ সম্পাদনাও করে নিয়েছি। এরপরও এতে কিছু ভুলত্রুটি থেকে যাওয়া স্বাভাবিক। যেকোনো ধরনের ভুলত্রুটি যদি বোদ্ধা পাঠকমহলের দৃষ্টিগোচর হয়, আমাদের জানানোর বিশেষ অনুরোধ করছি। আমরা সেটা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করব এবং সংশোধন করে নেব, ইনশাআল্লাহ।
আমরা লেখক আরিফ আজাদের দীর্ঘায়ু কামনা করি। দ্বীনের জন্য তার মেহনতের বদলা হিসেবে তিনি যেন জান্নাতে উচ্চতর আসন লাভ করতে পারেন, আল্লাহুম্মা আমীন।