উক্তি ও বাণী
জ্ঞানীদের কথা — হৃদয়ে আলো জ্বালানোর জন্য।
الْحِكْمَةُ ضَالَّةُ الْمُؤْمِنِ
মোট ১৯৫টি উক্তি
তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ আর তোমরা তাদের পোশাকস্বরূপ।[সুরা আল-বাক্বারাহঃ ১৮৭]
পূর্ণ ঈমানদার সেই ব্যক্তি যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর। আর তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।[তিরমিযীঃ ১১৬২]
স্বামীকে খুশী রেখে যে স্ত্রীলোক মৃত্যুবরণ করে সে জান্নাতে যাবে।[ইবনে মাযাহ, তিরমিযী ও হাকেম]
শুধুমাত্র সম্মানিত লোকেরাই নারীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করে। আর যারা অসম্মানিত নারীদের প্রতি তাদের আচরণও হয় অসম্মানজনক।[সুনানে আত-তিরমিযী]
হে মুমিনগণ, ইহুদি ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ জালিম কওমকে হিদায়াত দেন না। [সূরা মায়েদাঃ ৫১]
হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু। [সূরা বাকারাঃ ২০৮]
আল্লাহর ভয় মানুষকে অন্য সকল ভয় হইতে মুক্তি দেয়।
অনেক লোকই দিনে অন্তত পাঁচবার মুখ ধোয়, কিন্তু পাঁচ বছরেও একবার অন্তর ধোয়ার কথা চিন্তা করেনা।
শক্তির দ্বারা যে আনুগত্য লাভ হয় তা ক্ষণস্থায়ী, আর ভালোবাসার মাধ্যমে যে আনুগত্য অর্জিত হয় তাই চিরস্থায়ী থাকে।
রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য তুমি নিজের অবসর সময় তৈরি কর ও ইবাদতে মন দাও, তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর, তবে তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর করব না। [তিরমিযী-২৬৫৪, ইবনে মাজাহ-৮১০৭]
ঈমান এবং হিংসা এক সঙ্গে একই অন্তরে থাকতে পারে না।
বৃষ্টিবাহী বায়ূ আমিই পাঠাই। তারপর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি এবং এ পানি দিয়ে তোমাদের পিপাসা মিটাই। এ সম্পদের ভাণ্ডার তোমাদের হাতে নেই।
সত্য প্রত্যাখানকারীরা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলি ও পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে; অত:পর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম।[আম্বিয়া:৩০]
কোরআন এমন একটি জানালা, যা দ্বারা আমরা পরবর্তী দুনিয়ার দৃশ্য দেখিটে পাই।
সবচেয়ে গরীব সেই ব্যক্তি, যে বিদ্যা থেকে বঞ্চিত।
যে ব্যক্তি গরীব দু:খীর আর্তনাদ শুনে কান বন্দ করে রাখে, সেও একদিন আর্তনাদ করবে কিন্তু কেউ শুনবে না ।
অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই সবচেয়ে উত্তম পন্থা । এটা যদি কেউ জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।
ধনীদের সাথে আত্মমর্যাদা বজায় রেখে আচরণ করো আর দরিদ্রের সাথে আত্মমর্যাদা ভুলে ব্যাবহার করো। তোমার স্বাভাবিক ব্যাবহার ও বিনয় অকৃত্রিম হতে হবে।
পরশ্রীকাতর ও লোভী ব্যক্তি কখনো শান্তি পায় না।
বিনয় এমন একটা সম্পদ যা দেখে কেউ হিংসা করতে পারেনা।
প্রকৃত শিক্ষা সেটাই যা দ্বারা উপকৃত হওয়া যায়। সেটা প্রকৃত শিক্ষা নয় যা শুধু মুখস্থ রাখা হয় কিন্তু কোন কাজে লাগানো যায় না।
মানুষ কি বলে, সেটা নিয়ে চিন্তিত হয়ো না। ওসব ভেবে ভেঙ্গে পড়ো না। তুমি তোমার পথে অটল থাকো। নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোলো, যেন মানুষ তোমার মুখাপেক্ষী হয়ে তোমার কাছে ছুটে আসে।
তুমি যখন কোন দুর্বলের উপর হাত উঠাও তখন একথা ভুলে যাও কেন যে, এই মানুষটিকে যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি তোমার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতার অধিকারী।
তিনিই তোমাদের জন্য তারকারাজি সৃষ্টি করেছেন যেন জল-স্থলের অন্ধকারে পথের দিশা পাও। [সূরা আন’আম: ৯৭]
পাপ যতই ক্ষুদ্র হোক তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করিও। আর পুণ্য যতই ক্ষুদ্র হোক, তা আমল করার চেষ্টা করিও।
আর তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল যেন থাকে যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং সৎকাজের নির্দেশ দেবে ও অসৎকাজে নিষেধ করবে; আর তারাই সফলকাম।”[সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১০৪]
তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ইমান আনবে। (সুরা আলে ইমরান: ১১০)
নিশ্চয় আল্লাহ মুমিনদের থেকে জান্নাতের বিনিময়ে তাদের জীবন ও সম্পদের কিনে নিয়েছেন। (সুরা তাওবা : আয়াত ১১১)
তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যে, তিনি তাদেরকে পৃথিবীতে খিলাফত দান করবেনই, যেমন তিনি খিলাফত দান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই তাদের জন্য সুদৃঢ় করবেন তাদের দীনকে যা তিনি তাদের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তাদের ভয় ভীতির পরিবর্তে তাদেরকে অবশ্যই নিরাপত্তা দান করবেন; তারা আমার ইবাদাত করবে, আমার সাথে কোন শরীক করবেনা, অতঃপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে তারাই দুষ্কৃতকারী। (সুরা নূরঃ৫৬)
তার কথার চেয়ে উত্তম কথা কার হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, নেক আমল করে এবং সে বলে, আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।' (সূরা হা-মীম আস-সাজদা, আয়াত-৩৩)