উক্তি ও বাণী
জ্ঞানীদের কথা — হৃদয়ে আলো জ্বালানোর জন্য।
الْحِكْمَةُ ضَالَّةُ الْمُؤْمِنِ
মোট ১৯৫টি উক্তি
আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো কাজ চাপিয়ে দেন না (আল-বাক্বারাহ ২৮৬)
আমি আপনার প্রতি এমন গ্রন্থ নাযিল করেছি যা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা , হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ।(সূরা নাহল-৮৯)
সুলতান (খলিফা) হলেন পৃথিবীতে আল্লাহর ছায়া (রহমত) [আল-দারাকুতনি, বায়হাক্বী, তাবারানী, বাযযার, ইবন খুজাইমাহ]
ইমাম হাসান আল বসরী বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘যার মৃত্যু চলে আসে এই অবস্থায় যে সে ইসলামকে পুনর্জীবিত করার জন্য জ্ঞানার্জন করে যাচ্ছে, তবে তার ও নবীগণের মধ্যে জান্নাতে মাত্র এক ধাপের ব্যবধান থাকবে।’ [সুনান আত তিরমিযী, সুনান আদ দারিমী]
প্রকৃতপক্ষে, এই পৃথিবী সাময়িক আনন্দ ছাড়া আর কিছুই নয় এবং এই অস্থায়ী পৃথিবীতে ধার্মিক স্ত্রীর চেয়ে উত্তম আর কোনও আনন্দ নেই। [ইবনে মাজাহ, 1855]
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃরসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে রয়েছে সে ঈমানের প্রকৃত স্বাদ অনুভব করবে।(১) যার নিকট আল্লাহ ও তাঁর রসূল অন্য সকল কিছুর তুলনায় অধিক প্রিয়।(২) যে কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কাউকে ভালোবাসে।(৩) যে কুফ্রীতে ফিরে যাওয়ার তুলনায় আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অধিক পছন্দ করে। [সহিহ বুখারী-১৬, সহিহ মুসলিম-৬৯, সূনানে আন-নাসায়ী-৪৯৮৭, জামে আত-তিরমিজি, হাদিস নাম্বারঃ ২৬২৪, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নাম্বারঃ ৪০৩৩]
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ন্যায়পরায়ণ খলিফার অধীনে একদিন থাকা ৬০ বছরের ব্যক্তিগত ইবাদত চেয়ে ও উত্তম [বায়হাকী, তাবারানী]
পবিত্রতা ব্যতীত সালাত গ্রহণযোগ্য নয়, ঠিক তেমনি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ দ্বারা দান করলেও তা গ্রহণ করা হবে না (তিরমিজি)
“তোমরা প্রত্যেকেই রাখাল বা দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনস্ত লোকদের সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। শাসকও রাখাল বা দায়িত্বশীল, তাকে তার অধীনস্ত লোকদের ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে। নারী তার স্বামীর বাড়ী এবং তার সন্তান-সন্ততির তত্ত্বাবধায়িকা, তাকে তাদের ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে।” (বুখারী: ৮৯৩, ৫১৮৮)
অহঙ্কারের প্রতি দুর্বলতা, ক্রোধ ও ঔদ্ধত্য প্রবণতার উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ কর।
আল্লাহ তাআলা সাত ব্যক্তিকে সেই দিনে তাঁর (আরশের) ছায়া দান করবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত আর কোন ছায়া থাকবে না; ১. ন্যায় পরায়ণ বাদশাহ (রাষ্ট্রনেতা), ২. সেই যুবক যার যৌবন আল্লাহ তাআলার ইবাদতে অতিবাহিত হয়, ৩. সেই ব্যক্তি যার অন্তর মসজিদসমূহের সাথে লটকে থাকে (মসজিদের প্রতি তার মন সদা আকৃষ্ট থাকে।) ৪. সেই দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে বন্ধুত্ব ও ভালবাসা স্থাপন করে; যারা আল্লাহর উদ্দেশে একে অন্যকে ভালোবাসে এবং এই ভালবাসার উপরেই চিরবিচ্ছিন্ন (তাদের মৃত্যু) হয়। ৫. সেই ব্যক্তি যাকে কোন কুলকামিনী সুন্দরী (ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে) আহবান করে, কিন্তু সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি। ৬. সেই ব্যক্তি যে দান করে গোপন করে; এমনকি তার ডান হাত যা প্রদান করে, তা তার বাম হাত পর্যন্তও জানতে পারে না। ৭. আর সেই ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে; ফলে তার উভয় চোখে পানি বয়ে যায়।’’ [বুখারি ৬৬০, ১৪২৩, ৬৪৭৯, ৬৮০৬, মুসলিম ১০৩১, তিরমিযি ২৩৯১, নাসায়ি ৫৩৮০, আহমদ ৯৩৭৩, মুওয়াত্তা মালিক ১৭৭৭]
সে ব্যক্তি মুসলিম নয় যে পাশের প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকা অবস্থায় সন্তুষ্টচিত্তে রাত কাটায়" (আল-হাকিম, তাবারানী)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত কর গ্রহণ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (আল-হাকিম)
‘মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।’ (সুরা রুম, আয়াত: ৪৭)
"কালোজিরায় সকল প্রকার রোগের উপশম আছে, তবে ‘আসসাম’ ব্যতীত। আর ‘আসসাম’ হলো মৃত্যু।" (মুসলিম-৫৬৫৯)
ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে, হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন: "দুটি আশীর্বাদ রয়েছে যা আমার উম্মত হারাবে: সেগুলো হলো স্বাস্থ্য ও সৎকর্মের জন্য অবসর সময়।" (বুখারী 8/421)
রাসুল (সা:) বলেন- “এই বিশ্ব এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুই মূল্যবান। কিন্তু সবচেয়ে মূল্যবান একজন পরহেযগার নারী।”[ মুসলিম]
সেই মায়ের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলিওনা, যেই মা তোমাকে কথা বলা শিখিয়েছে।
‘তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশ্রিত কোরো না। এবং জেনেশুনে সত্য গোপন কোরো না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪২)
‘যখন তাদের বলা হয়, আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তা তোমরা অনুসরণ করো; তারা বলে, না, বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের যাতে পেয়েছি, তার অনুসরণ করব...।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৭০)
দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৫৬)
‘ঋণের বিষয় লিখে রাখো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮২)
‘কারো গোপন তথ্য অনুসন্ধান কোরো না এবং পরনিন্দা কোরো না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮৩)
‘আল্লাহ সাধ্যের বাইরে কারো ওপর বোঝা চাপিয়ে দেন না। সে তা-ই পায় যা তার অর্জন।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮৬)
‘পরিবারের অভিভাবকত্ব ও অর্থ ব্যয় পুরুষের দায়িত্ব।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৪)
‘বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ নিয়ে বিতর্ক কোরো না।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১০২)
‘আর তোমরা পাপ ও সীমা লঙ্ঘনের ব্যাপারে পরস্পরকে সহযোগিতা কোরো না।’ (সুরা মায়িদা, আয়াত : ২)
‘যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের কথামতো চলো, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে এবং তারা শুধু অনুমানভিত্তিক কথা বলে।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১১৬)
‘মুশরিকদের কেউ আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করলে আপনি তাকে আশ্রয় দেবেন, যেন সে আল্লাহর বাণী শুনতে পারে।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৬)
‘তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৩)